লকডাউন আতঙ্কে বাজার

বিকেল থেকে লকডাউন, রসদ সংগ্রহে সকালেই বাজারমুখো আমজনতা

কেউ কেউ আতঙ্কিত হয়ে বাড়তি বাজার করে রাখছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২০, ১০:৪৯

options
link
বিকেল থেকে লকডাউন, রসদ সংগ্রহে সকালেই বাজারমুখো আমজনতা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। এর মধ্যেই অন্তত চার, পাঁচদিনের বাজার করে রাখতে হবে। রবিবার রাজ্যজুড়ে লকডাউনের ঘোষণা শোনার পর থেকে এই ভাবনাতেই বুঁদ সাধারণ মানুষ। বিকেল ৫টা থেকে ঘরবন্দি হয়ে পড়বেন। তাই সকলেরই লক্ষ্য, সোমবার সকালে বাজার খুললে আগে গিয়ে জিনিসপত্র কিনে ফেলতে হবে। কারণ, আবার কতদিন পর এভাবে সময় নিয়ে ব্যাগ হাতে ঝুলিয়ে বাজার যেতে পারবেন, তার নিশ্চয়তা নেই। যেমন ভাবা, তেমন কাজ। সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা এবং শহরতলির বিভিন্ন বাজারে ক্রেতাদের ভিড়। আগামিদিনে বিকিকিনি বন্ধ নিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়লেও, দিনের শুরুতে ক্রেতা সমাগম দেখে মুখে হাসি বিক্রেতাদেরও।

Advertisement

রবিবার লকডাউন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী মোদি জানিয়ে দিয়েছেন, এর মানে শুধুই বাড়িতে থাকা। ‘জনতা কারফিউ’এর মতো তাঁর এই পরামর্শও মেনে চলতে চান দেশবাসী। তারই প্রস্তুতি হিসেবে সোমবার সকাল থেকে বাজারমুখো হয়েছেন সাধারণ মানুষজন। দক্ষিণে লেক মার্কেট, উত্তরে মানিকতলা বাজারে সবজি, মাছ মাংস কেনার জন্য কার্যত লাইন দিতে হল ক্রেতাদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
maniktala-bajar
মানিকতলা বাজারে ভিড়

কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা ছাড়াও এ রাজ্যের সবকটি পুরশহর লকডাউনের আওতায়। আগামী কয়েকদিনের রসদ মজুত করার জন্য জেলাগুলির বাজারেও ভিড় দেখা গেল। ৩১ মার্চ রাত বারোটার আগে যে ঘর থেকে বেরনো নিষেধ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আজ বিকেল থেকেই রাজ্যে লকডাউন, জানেন আইন ভাঙলে কী শাস্তি হতে পারে?]

এই বাজার করার প্রস্তুতি অবশ্য শুরু হয়ে গিয়েছিল রবিবার বিকেল থেকেই। প্রধানমন্ত্রীর ডাকে ‘জনতা কারফিউ’ কেমন হল, তার হালহকিকত জানতে সারাদিন টিভিতে চোখ ছিল কৌতুহলী জনতার। দুপুরের দিকে ঘোষণা হয় লকডাউনের। তারপরই বিস্তারিত খবর দেখে অনেকেই বসে যান ঘরে কী কী আপৎকালীন জিনিস নেই, তার তালিকা তৈরি করতে। বাজারের থলি, ওষুধের প্রেসক্রিপশন, পরিমাণমতো নগদ টাকা সবই তৈরি করে রেখেছিলেন। শুধু রাত কাটার অপেক্ষায় ছিলেন।

[আরও পড়ুন: লন্ডন ফেরত তরুণের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার শাস্তি, বাবা-মা ও পরিচারিকাও করোনা আক্রান্ত]

সরকার আশ্বাস দিয়েছে এটিএম, ব্যাংক, সবজি বাজার, মাছ বাজার, ওষুধের দোকানের মতো অত্যন্ত জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে। কিন্তু তাতে বিশেষ আশ্বস্ত হচ্ছেন না তাঁরা। চিন্তা একটাই, যেভাবে দু’-তিনদিনের মধ্যে ‘কমিউনিটি স্প্রেড’ কলকাতায় শুরু হয়েছে, তাতে কবে কী হয়, ঠিক নেই। হয়ত দেখা গেল, সরকারি নির্দেশিকা সত্ত্বেও এটিএমে টাকা এসে পৌঁছল না। তখন তো আর প্লাস্টিক মানি দিয়ে মুদিখানা দোকান বা সবজির বাজারে কেনাবেচা করা যাবে না। তাই সময় থাকতে থাকতেই গুছিয়ে নেওয়া।

Market-Queu
ডায়মন্ড হারবার বাজারে ভিড়

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.