মাত্র দশ দিনে ১০০ কোটির রেকর্ড বকেয়া সম্পত্তি কর জমা পড়ল কলকাতা পুরসভায়

সচেতন ও সংবেদনশীল নাগরিকদের কৃতিত্ব দিলেন মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২০, ১৫:৪২

options
link
মাত্র দশ দিনে ১০০ কোটির রেকর্ড বকেয়া সম্পত্তি কর জমা পড়ল কলকাতা পুরসভায়

কৃষ্ণকুমার দাস: মাত্র দশ দিনেই সম্পত্তি কর বাবদ প্রায় একশো কোটি টাকা জমা পড়ল কলকাতা পুরসভার কোষাগারে। আগস্ট মাসের প্রথম দশ দিনে, তাও করোনাকালে লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যে এত বিপুল পরিমান পুরকর জমা পড়া একটা রেকর্ড বলে দাবি পুরসভার কর আদায় বিভাগের। লকডাউনের জেরে ২২ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত বন্ধ ছিল পুরসভার সম্পত্তি কর বা অন্যান্য কর সংগ্রহের বিভাগ। অনলাইনে মাত্র ৩০ কোটি টাকা জমা পড়ছিল। কিন্তু ১ জুন থেকে আনলকে পুরকর আদায় শুরু হতেই ৩১ জুলাই পর্যন্ত প্রায় ২৬০ কোটি জমা পড়ে পুরসভার কোষাগারে। কিন্তু সব কিছুকে ছাপিয়ে আগস্টের প্রথম দশদিনে পুরকর আদায়ে রেকর্ড গড়ায় সন্তুষ্ট পুরসভার মুখ্যপ্রশাসক তথা পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)।

Advertisement

সম্পত্তি কর আদায়ে পুরসভার রেকর্ড গড়ার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব শহরের ‘সচেতন ও সংবেদনশীল’ নাগরিকদের দিয়েছেন পুরমন্ত্রী। মঙ্গলবার ফিরহাদ বলেন, “করোনা ও আমফান, দুই দুর্যোগে নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও পুরসভা বাড়ি বাড়ি যে বিপুল পুর পরিষেবা দিচ্ছে তাতেই খুশি হয়ে নাগরিকরা আমাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে সম্পত্তি কর জমা দিচ্ছেন। করোনা মোকাবিলায় পুরসভা যে দেশের মধ্যে সেরা ভূমিকা নিচ্ছে তা স্বয়ং অমিতাভ বচ্চন থেকে শুরু বিশিষ্টরা, এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারও বলছে। পুরসভার কাজে গর্বিত শহরবাসী তাই বকেয়া পুরকর জমা দিয়ে পরোক্ষে কোভিড যুদ্ধে শামিল হতে এগিয়ে এসেছেন।” লকডাউনের ধাক্কায় স্তব্ধ জনজীবনের ধাক্কায় জুন মাসে পুরসভার কোষাগার কার্যত শূন্যে পৌঁছে যায়। পুরকর্মীদের বেতন দেওয়ার জন্য নবান্নের সাহায্য নিয়েছিলেন স্বয়ং পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য কমিশন হস্তক্ষেপ করতেই করোনায় মৃত চিকিৎসকের বিল সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা কমাল মেডিকা]

আনলক শুরু হতেই বকেয়া পুরকর আদায়ে উদ্যোগ নেন বিভাগীয় দায়িত্ব প্রাপ্ত বিদায়ী ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ (Atin Ghosh)। বিভাগীয় বৈঠক করে রীতিমতো কর্পোরেট স্টাইলে জোনভিত্তিক অফিসার ও ইনস্পেক্টরদের কর আদায়ের টার্গেট বেঁধে দিয়েছিলেন অতীন। বকেয়া সম্পত্তি কর জমা দিতে নাগরিকদের নানা সুবিধা দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নেন। প্রাক্তন ডেপুটি মেয়রের কথায়, “বরো ভিত্তিক মিটিংগুলি বকেয়া কর আদায়ে খুবই কার্যকর হচ্ছে। এছাড়া অনেকের ছোটখাটো পুরকর সমস্যা সরাসরি আমি যেমন শুনেছি, সঙ্গে সঙ্গে অফিসাররাও ব্যবস্থা নিয়েছেন।” গত আর্থিক বছরে অর্থাৎ ৩১ মার্চ পর্যন্ত পুরসভার কর আদায়ের টার্গেট ছিল এক হাজার কোটি টাকা। কিন্তু লকডাউন শুরুর আগে, ২১ মার্চ পর্যন্ত ৮৫০ কোটি সংগ্রহ হয়েছিল। পরবর্তী দশ দিনে আরও ১৫০ কোটি সংগ্রহের যাবতীয় প্রস্তুতি ছিল পুরসভার কর আদায় বিভাগের অফিসারদের। গত দু’মাসে যে ২৬০ কোটি আদায় হয়েছে তার মধ্যে ওই দেড়শো কোটির একটা অংশ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন পুর অফিসাররা। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: টাকা নিয়ে দর কষাকষির মধ্যেই ডিসানের বাইরে মৃত্যু বৃদ্ধার, স্বতঃপ্রণোদিত মামলা স্বাস্থ্য কমিশনের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.