চুলের যত্নে মেথির গুণাবলী, বহু আগেই স্বীকার করেছে মানুষ। মেথি ভেজানো জল (methi water) হয়ে উঠেছে ঘরোয়া কেশচর্চার অন্যতম উপাদান। এ কারণে বহু কৃত্রিম হেয়ার কেয়ার কসমেটিক্সেও ব্যবহৃত হয় মেথির নির্যাস। মেথিতে রয়েছে আয়রন, ফ্ল্যাভোনয়েড, স্যাপোনিন ও প্রোটিন। মেথির জল চুলের গোড়া মজবুত করতে, স্প্লিট এন্ডস্ কমাতে এবং স্ক্যাল্পকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। রাতারাতি চুল গজানো সম্ভব নয় ঠিকই, কিন্তু নতুন চুল গজানোর জন্য অনুকূল পরিবেশ অতিরি করতে পারে মেথির জলই।
আরও পড়ুন:
আধুনিক কেশচর্চা বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলছেন, মেথি ভেজানো জলের গুণ বাড়াতে তাতে যোগ করা যেতে পারে আরও একরাশ উপাদান।

- রোজমেরি
রোজমেরি চুলের স্বাস্থ্যের জন্য সবচাইতে বেশি উপকারী ভেষজগুলির একটি। এটি স্ক্যাল্পে রক্তসঞ্চালন বাড়ায়, হেয়ার ফলিকল সুস্থ রাখতে সাহায্য করে, চুল পাতলা হওয়া রোধ করে। তাছাড়া এতে রয়েছে বিপুল পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
কীভাবে ব্যবহার করবেন? এক মুঠো শুকনো রোজমেরি পাতা মেথির সঙ্গে ফুটিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে ছেঁকে সেই জল স্ক্যাল্পে লাগান। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। যদি রোজমেরি পাতা না পাওয়া যায়, তবে কাজ চালানো যায় রোজমেরি এসেনশিয়াল অয়েল দিয়ে।
- লবঙ্গ
এটি ইউজেনল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণে সমৃদ্ধ। স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখতে, খুশকির সমস্যা কমাতে, চুলে উজ্জ্বলতা আনতে সাহায্য করে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন? মেথি ফুটানোর সময় ৩–৫টি লবঙ্গ যোগ করুন।
- কারি পাতা
এতে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যামিনো অ্যাসিড, যা চুল ভাঙা কমায়, স্ক্যাল্পকে পুষ্টি দেয়, চুলকে মজবুত করে এবং চুলের অকালে পেকে যাওয়া রোধ করে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন? মেথির সঙ্গে ১০–১৫টি তাজা কারি পাতা ফুটিয়ে নিন। ছেঁকে নিয়ে চুলের গোড়ায় ভালোভাবে লাগিয়ে দিন সেই জল। মেথি আর কারিপাতা একসঙ্গে বেটে নিয়ে হেয়ার মাস্কের মতোও লাগানো যায় স্ক্যাল্প জুড়ে। এরপর ভালোভাবে শ্যাম্পু করে নিন।

- অ্যালোভেরা
শুষ্ক স্ক্যাল্পে আর্দ্রতা জোগাতে ও যে কোনও ধরনের জ্বালাভাব কমাতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা। এছাড়া চুল নরম হয়, মসৃণ হয়। দেখতে শোভন লাগে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন? অ্যালোভেরা ফুটিয়ে ব্যবহার করবেন না। মেথির জল পুরোপুরি ঠান্ডা হওয়ার পর তার সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন। ভালো করে মেখে নিন চুলের গোড়ায়।
তবে এ সমস্তটাই কেশচর্চার ঘরোয়া উপায়। স্ক্যাল্পের সমস্যা বাড়তে থাকলে, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘বিগ বস বাংলা’র দূর্গে রহস্যময়ী! ‘স্পিটসভিলা’ কাঁপানো ‘ক্যুইন’ কি এবার কোণঠাসা করবেন নন্দিনীকে?
-
জোড়া ছোবলে বাংলাদেশে ‘মড়ক’, হামের ‘মৃত্যুবাণে’ নিহত ১০৭৬ শিশু, ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ২০০!
-
মনসা পুজোর বিসর্জনে নৌকা বাইচ, ৭০ বছরের ঐতিহ্যে মাতল কানমারী
-
ত্রিকোণ প্রেমের জেরে শপিং মলে বন্ধুর গলায় ছুরির কোপ! নিউটাউনে রক্তারক্তি
-
শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরাও পাবেন বকেয়া ডিএ, ‘তবে কিছুটা সময় লাগবে’, হাই কোর্টে জানাল রাজ্য