সুপ্রিম নির্দেশে সরকারি কর্মীরা বকেয়া ডিএ’র একটা অংশ পেয়ে গিয়েছেন। কিন্তু সরকার পোষিত কর্মীরা এখনও কিছুই পাননি। সেই নিয়ে মামলা হয়েছিল হাই কোর্টে। তাতে রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছিল আদালত। এদিন সেই মামলায় রাজ্য জানিয়েদিল, রাজ্যের সরকার পোষিত ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরাও বকেয়া ডিএ পাবেন। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগবে।
বিষয়টা ঠিক কী? রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রাপ্য ডিএ-র কিছু অংশ ইতিমধ্যেই পেয়ে গেলেও, সরকার পোষিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিতই থেকে গিয়েছেন। এই বৈষম্যের প্রতিকার চেয়েই আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। তাঁদের অভিযোগ, ‘গ্রান্ট ইন এড’ বা সরকার পোষিত কর্মীরা অর্থাৎ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী, পুরসভার কর্মী-সহ বহু মানুষ বঞ্চনার শিকার। এদিন শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী স্পষ্ট জানান, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত ও সরকার পোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদেরও বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে। তবে আর্থিক ও প্রশাসনিক কারণে কিছুটা সময় লাগবে।
আরও পড়ুন:
রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ নিয়ে মামলা চলছে ২০১৭ সাল থেকে। স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল থেকে কলকাতা হাইকোর্ট হয়ে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে। গোটা প্রক্রিয়া তদারকির জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে একটি মনিটরিং কমিটিও গঠন করে দেয় শীর্ষ আদালত। সেই নির্দেশ মেনে নতুন রাজ্য সরকার সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র একটি বড় অংশ ইতিমধ্যেই মিটিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ‘গ্রান্ট ইন এড’ কর্মীদের বকেয়া মেটানোর কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠছিল। এদিনের আশ্বাসে সেই জট কাটল বলে মনে করছে শিক্ষক মহল।
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের