Skin Care

নামী প্রসাধনী নয়,কাঁচা আম দিয়েই কমান ত্বকের বয়স, জানুন কীভাবে?

মুখের চামড়া চকচকে করতে কতই না কারসাজি! ‘গ্লাস স্কিন’ পাওয়ার ভূত এখন আট থেকে আশি, সকলের মাথায় সওয়ার। আর সেই অধরা মাধুরীকে মুঠোয় পুরতে পকেট খালি হচ্ছে দেদার। নামী ব্র্যান্ডের দামি প্রসাধনী কিনতে গিয়ে মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস উঠছে। অথচ, যে এনজাইম ব্যবহার করে এত কিছু, তার জোগান রয়েছে বাঙালির ফলের বাজারে। কী অবাক হচ্ছেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২৬, ১৭:৪১

options
link
নামী প্রসাধনী নয়,কাঁচা আম দিয়েই কমান ত্বকের বয়স, জানুন কীভাবে?
কাঁচা আমেই চকচকে হবে ত্বক?

মুখের চামড়া চকচকে করতে কতই না কারসাজি! ‘গ্লাস স্কিন’ পাওয়ার ভূত এখন আট থেকে আশি, সকলের মাথায় সওয়ার। আর সেই অধরা মাধুরীকে মুঠোয় পুরতে পকেট খালি হচ্ছে দেদার। নামী ব্র্যান্ডের দামি প্রসাধনী কিনতে গিয়ে মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস উঠছে। অথচ, যে এনজাইম ব্যবহার করে এত কিছু, তার জোগান রয়েছে বাঙালির ফলের বাজারে। কী অবাক হচ্ছেন? কাঁচা আম। চিরপরিচিত এই চাটনির অনুষঙ্গই এখন বিশ্বজুড়ে ত্বকের বয়স ধরে রাখার নতুন ‘টাইম মেশিন’।

Advertisement
প্রতীকী ছবি

বিদেশি প্রসাধনী সংস্থাগুলো যে ‘এনজাইম এক্সফোলিয়েটর’ চড়া দামে বাজারে বিক্রি করে, তার আসল জাদু লুকিয়ে এই কাঁচা আমেই। নেদারল্যান্ডস থেকে বার্সেলোনার আধুনিক গবেষণাগার— সব মহলের বিজ্ঞানীদের সিলমোহর পড়েছে এই তত্ত্বে। কাঁচা আমে রয়েছে ‘ম্যাঙ্গিফেরিন’ নামের এক আশ্চর্য প্রাকৃতিক এনজাইম। কোনও রকম স্ক্রাবারের ঘষাঘষি ছাড়াই এটি ত্বকের মরা কোষ সরিয়ে দেয়। সংবেদনশীল ত্বকের বিন্দুমাত্র ক্ষতি না করে রোমকূপের গভীর থেকে ময়লা টেনে বের করে আনে এই ফল।

Advertisement

কোলাজেনের জোগানদার ও রোদের সুরক্ষাকবচ
বয়স বাড়লে ত্বকে ‘কোলাজেন’ নামক প্রোটিনের ঘাটতি দেখা দেয়। চামড়া ঝুলে পড়ে। কাঁচা আমের ভিটামিন-সি ত্বকে নতুন করে কোলাজেন তৈরি করতে বাধ্য করে। ফলে ত্বকের নমনীয়তা বজায় থাকে, থমকে যায় বার্ধক্য।

Advertisement

গরমের চড়া রোদ আর অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের বারোটা বাজিয়ে দেয়। মুখে পড়ে কালচে পিগমেন্টেশনের ছোপ। কাঁচা আমের শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এখানে বডিগার্ডের মতো কাজ করে। এর শাঁস সরাসরি ত্বকে লাগালে মেলানিন উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে থাকে। রোদে পোড়া ট্যান উধাও হতে সময় নেয় না।

গ্রীষ্মের ভ্যাপসা গরমে তৈলাক্ত ত্বক আরও তেলতেলে হয়ে যায়। বড় হয়ে যায় রোমকূপের মুখ। কাঁচা আম প্রাকৃতিক ‘অ্যাস্ট্রিনজেন্ট’ হিসাবে কাজ করে সেবাম বা তেলের ক্ষরণ কমায়। রোমকূপ সংকুচিত হয়ে ত্বক দেখায় মসৃণ ও টান টান।

প্রতীকী ছবি

কীভাবে ব্যবহার করবেন?
ফেসপ্যাক:
কাঁচা আমের পাল্প সরাসরি মুখে ৫ থেকে ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। হালকা সুড়সুড়ি দিলে বুঝবেন এনজাইম কাজ শুরু করেছে। আরও ভালো ফলের জন্য আমের শাঁসের সঙ্গে সামান্য দই আর মধু মিশিয়ে সপ্তাহে দুদিন লাগাতে পারেন।

ঘরোয়া টোনার: খোসাসমেত কাঁচা আমের টুকরো জলে ফুটিয়ে নিন। জল ফুটে অর্ধেক হলে ছেঁকে ঠান্ডা করুন। সঙ্গে মেশান সামান্য গোলাপজল। ব্যস, তৈরি প্রাকৃতিক টোনার।

নিয়মিত এই ঘরোয়া ছোঁয়ায় ত্বকের বার্ধক্য পিছু হটবে। নামী ব্র্যান্ডকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আপনিও মেতে উঠবেন কাঙ্ক্ষিত চিরযৌবনের মৌতাতে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.