সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অফলাইন কেনাকাটা প্রায় অতীত হয়ে গিয়েছে। সবজি থেকে শুরু করে ইলেকট্রনিক সামগ্রী, সবটাই সকলে কেনেন ই-কর্মাস সাইটগুলো থেকে। আর এই সুযোগকেই কাজে লাগায় জালিয়াতরা। ফাঁদ পাতে প্রতারণার। না বুঝে তাতে পা দিয়ে বিপদে পড়েন বহু মানুষ। কিন্তু জানেন কি অনলাইনে কেনাকাটার সুযোগ কাজে লাগিয়ে কীভাবে প্রতারণা করে জালিয়াতরা?
আরও পড়ুন:
অনলাইনে কিছু অর্ডার করলে তা যে প্যাকেজিংয়ে আসে সেখানে ক্রেতার নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর লেখা থাকে। জিনিস বের করে নেওয়ার পর সকলেই প্যাকেট বাইরে, আবর্জনার মধ্যে ফেলে দেন। কেউই আলাদা করে নাম, ঠিকানা মুছে ফেলার প্রয়োজন বোধ করেন না। আর এটাকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেন জালিয়াতরা। নিশ্চয়ই ভাবছেন কীভাবে? ফেলে দেওয়া প্যাকেটগুলো জোগাড় করে জালিয়াতরা। সহজেই ক্রেতাদের যাবতীয় তথ্য হাতে চলে যায় তাঁদের। এরপর ই-কর্মাস প্ল্যাটফর্মের কাস্টমার কেয়ারের নাম করে ক্রেতাদের ফোন করে তাঁরা। বিভিন্ন অফার, রিওয়ার্ডের প্রলোভন দেখায় তাঁরা। বিশ্বাস করে অনেকেই তাতে সাড়া দেয়। এরপর হোয়াটসঅ্যাপে পাঠায় লিংক। তাতে ক্লিক করলেই সর্বনাশ।
সাধারণত ওই লিংকে ক্লিক করলে ভুয়ো ওয়েবসাইটে নিয়ে যাওয়া হয় ক্রেতাদের। কখনও আবার অ্যাপ ইনস্টল করতে বলা হয়। সেখানে নিজের তথ্য দিয়ে লগ ইন করলেই বিপদ। নিমেষে ফাঁকা হয়ে যেতে পারে অ্যাকাউন্ট। সতর্ক থাকতে কী করবেন? অচেনা কারও পাঠানো লিংকে ক্লিক করবেন না। কাউকে ওটিপি, পাসওয়ার্ড দেবেন না। অনলাইনে জিনিস কেনার পর প্যাকেট বাইরে ফেলার আগে অবশ্যই নাম, ঠিকানা মুছে ফেলুন।
সর্বশেষ খবর
-
রতনে রতন চেনে! ৫০ লাখের তোলাবাজিতে সুমিতের ‘সঙ্গী’ আইপ্যাকের প্রতীক জৈনের আপ্তসহায়ক?
-
শিল্ডেও ভরসা জুনিয়ররা, কাস্টমসের বিরুদ্ধে জিতে অভিযান শুরু ইস্টবেঙ্গলের
-
সিন্ডিকেট অপরাধ, তোলাবাজি! দেবরাজ মামলায় বারাসত আদালতে চার্জগঠন
-
‘রাবণ জেন্টলম্যান’ বলে কটাক্ষের শিকার স্বঘোষিত বামপন্থী শোলাঙ্কি, ধেয়ে এল ‘দিমাগি নকশাল’ তোপ
-
মানত করেই পুজোর কাজে অংশ, ভোগের দায়িত্বে বিধবারা, উত্তরের এই পুজোয় দশমীর পর মৎস্যমুখ