আদিশক্তির অপর নাম ‘দুর্গা’, জানেন আসল অর্থ? নেপথ্যে লুকিয়ে কোন মাহাত্ম্য
কখনও আমরা ভেবে দেখেছি কি দেবীর নাম ‘দুর্গা’ হল কেন?
বাঙালির শরৎকালীন আরাধনায় যিনি পূজিতা, তিনি মূলত মহিষাসুরমর্দিনী চণ্ডী। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের বিখ্যাত স্তোত্রপাঠে ‘নমশ্চণ্ডিকায়ৈ’ মন্ত্রে সেই মহামায়ারই আবাহন ঘটে। তবে শ্রীশ্রীচণ্ডীর সাতশো শ্লোক সম্বলিত ‘দেবীমাহাত্ম্য’ গ্রন্থটি কালক্রমে ‘দুর্গাসপ্তশতী’ নামে প্রসিদ্ধ লাভ করে। এইভাবেই মহিষাসুরমর্দিনী রূপটির সঙ্গে দুর্গা নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন:
পুরাণমতে, মহিষাসুরমর্দিনী ও দুর্গমাসুরনাশিনী দেবীর আবির্ভাবের কাল ও উদ্দেশ্য আলাদা। স্বায়ম্ভুব মন্বন্তরে হিমালয় অঞ্চলে মহিষাসুর বধের জন্য মহিষাসুরমর্দিনীর আবির্ভাব হয়। অপরদিকে, বৈবস্বত মন্বন্তরে বিন্ধ্য পর্বতে দুর্গমাসুর হরণের জন্য অবতীর্ণ হন দুর্গা। এই রূপের সঙ্গে শাকম্ভরী ও শতাক্ষী দেবীর মহিমান্বিত লীলাও গভীরভাবে যুক্ত।