দেশ ভ্রমণে জোর দিয়ে তরুণদের সীমান্তের গ্রাম ঘোরার পরামর্শ মোদির, রইল ৬ জায়গার হদিশ
কেন তরুণদের সীমান্তের গ্রাম ঘোরার পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি?
উত্তরাখণ্ডের চামোলির বিখ্যাত মানা গ্রাম। বদ্রীনাথ ধাম থেকে গ্রামটি মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। যা ভারতের প্রথম গ্রাম হিসাবে পরিচিত। সেখানে রয়েছে ব্যাস গুহা, ভীমপুল, সরস্বতী নদী, বসুন্ধরা জলপ্রপাত। ঋষিকেশ স্টেশন থেকে সড়কপথে দূরত্ব প্রায় ৩০০ কিলোমিটার। মে থেকে জুন এবং সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাসে এই গ্রামে যেতে পারেন।
আরও পড়ুন:
উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড়ে পাহাড়ি গ্রাম গুঞ্জিও ঘুরে দেখতে পারেন। আদি কৈলাস, ওম পর্বত এবং কালাপানি মন্দির দর্শনের প্রধান পথ এই গ্রাম। ভারত সরকারের 'ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম' প্রকল্পের আওতায় এই গ্রামটি। তুষারপাতের ফলে নভেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত না যাওয়াই ভালো। কারণ, সেই সময় ওই গ্রামে থাকতে পারেন না স্থানীয় বাসিন্দারাও।
বরফে মোড়া পাহাড়, কাঠের বাড়ি এবং বাসপা নদী। সবমিলিয়ে ঠিক যেন ছবির মতো ভারত-তিব্বত সীমান্তের শেষ জনবহুল গ্রাম হিমাচল প্রদেশের চিটকুল। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১১ হাজার ৩২০ ফুট উঁচু এই গ্রামটিতে যেতে কোনও পারমিটের প্রয়োজনীয়তা নেই। দেখতে পারেন মাথি দেবী মন্দির, বৌদ্ধমঠ, আপেল ও পাইন গাছের জঙ্গল। মে থেকে অক্টোবরের মধ্যে এই গ্রামটিতে একবার ঢুঁ মারতে পারেন।
আরও পড়ুন:
ভারতের শেষ গ্রাম তুরতুকেও একবার ঘুরে আসতে পারেন। লেহ থেকে ২০৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গ্রাম। খারদুংলা বং ডিসকিত হয়ে সড়কপথে তুরতুকে পৌঁছতে সময় লেগে যায় প্রায় ৬-৮ ঘণ্টা। শ্যাওক নদীতীর থেকে ৩ হাজার ১ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত গ্রামটি বাল্টি সংস্কৃতির মানুষদের বাস। মে থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই জায়গাটি ঘুরে আসতেই পারেন।
ভারত-চিন সীমান্তের পূর্ব লাদাখের চাংথাং অঞ্চলের চুমুর গ্রামেও আপনি ঘুরে আসতে পারেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ হাজার ৭০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। এই গ্রামটি ভারতের প্রথম মডেল সীমান্ত গ্রাম হিসাবে পরিচিত। হানলে-চুমার সড়ক ধরে এই গ্রামটিতে চাইলে আপনি পৌঁছতে পারেন। এই গ্রামটিতে ২৪টি পরিবারের বাস। এখানকার অধিবাসীদের প্রধান জীবিকা পশমিনা উল উৎপাদন এবং পশুপালন।