দিল্লিতে প্রতিবাদ মানেই যন্তর মন্তর! কেন এই স্থানকেই বেছে নেন বিক্ষোভকারীরা?
যন্তর মন্তর আসলে জ্যোতির্বিজ্ঞান মানমন্দির। কিন্তু আজ তা বিক্ষোভের স্থল হিসেবেই প্রসিদ্ধ।
নিট বিতর্কের প্রতিবাদ হিসেবে ন্যায্য বিচারের দাবিতে যন্তর মন্তরে অনশন করছেন অসংখ্য পড়ুয়া। পথে নেমে প্রতিবাদ করছে ছাত্রসমাজ, অনশনে বসেছেন সমাজকর্মী তথা শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। আর সেই প্রতিবাদের ক্ষেত্র হিসেবে আলোচিত হচ্ছে যন্তর মন্তর। সাম্প্রতিক বহু বিক্ষোভের মতো এবারও এই স্থানেই প্রতিবাদ কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
অথচ যন্তর মন্তর আসলে জ্যোতির্বিজ্ঞান মানমন্দির। কিন্তু আজ তা বিক্ষোভের স্থল হিসেবেই প্রসিদ্ধ। কবে থেকে শুরু হল এই বিষয়টি? এর জন্য ফিরে যেতে হবে ১৯৯৩ সালে। সেবছর সংসদের কাছাকাছি এলাকায় সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। আর তার ফলেই নাগরিকদের প্রতিবাদের অধিকার ও শহরের নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার লক্ষ্যে যন্তর মন্তর রোডকে প্রতিবাদের কেন্দ্রীয় স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।
রাজধানীতে যে কোনও ধরনের জনসভা বা প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য যন্তর মন্তর একটি সহজে প্রবেশযোগ্য স্থান হিসেবেই রয়ে গিয়েছে সেই থেকে। এই মুহূর্তে যন্তর মন্তরে চলতে থাকা সিজেপির দীর্ঘস্থায়ী অবস্থান কর্মসূচির মতো কর্মসূচির ক্ষেত্রে কোলাহল ও যানজটের সমস্যা সৃষ্টি হয়। তবু প্রশাসনের কাছে নিজেদের কথা পৌঁছে দিতে চাওয়া নাগরিকদের কাছে এই স্থানটি গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন:
আসলে দিল্লির প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হলেও যন্তর মন্তর থেকে সংসদ ভবন ও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দূরত্ব অনেকটাই। ফলে এখানে বিক্ষোভজনিত যানজট ইত্যাদির প্রভাব ওই অঞ্চলে পড়ে না। ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, এখানে করা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচি নাগরিকদের মৌলিক অধিকারেরই অংশ। যদিও তা করতে হবে আইন মেনেই।