অস্ট্রেলিয়ার দাবানল

বিধ্বংসী দাবানলের গ্রাসে ৫০ কোটি বন্যপ্রাণী, শিউরে ওঠার মতো পরিস্থিতি অস্ট্রেলিয়ায়

সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিদদের রিপোর্ট এমনটাই দাবি করেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২০, ১৩:৫৩

options
link
বিধ্বংসী দাবানলের গ্রাসে ৫০ কোটি বন্যপ্রাণী, শিউরে ওঠার মতো পরিস্থিতি অস্ট্রেলিয়ায়

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে অস্ট্রেলিয়ার বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল। সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিধ্বংসী দাবানলের জেরে পুড়ে গিয়েছে প্রায় কয়েক লক্ষ একর জমি। ভস্মীভূত হয়েছে প্রায় দু’শোরও বেশি বাড়ি। কয়েকশো কোটি টাকার  ক্ষতি। গত বুধবারই দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে কমপক্ষে ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। পরিস্থিতির জেরে নিউ সাউথ ওয়েলসে (New South Wales) সপ্তাহব্যাপী জরুরি অবস্থা জারি করেছে প্রশাসন। এর মাঝেই জানা গেল এই ভয়াবহ দাবানলের জেরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বন্যপ্রাণীদেরও। ঝলসে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি জন্তুর।

Advertisement

গত বৃহস্পতিবারই এক আন্তর্জাতিক সংস্থা এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে। সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিদদের দেওয়া তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বর থেকে এযাবৎকাল প্রায় ৫০ কোটি স্তন্যপায়ী, পাখি ও সরীসৃপের মৃত্যু হয়েছে দাবানলে ঝলসে। যার সংখ্যা আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পরিবেশবিদরা। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বিধ্বংসী দাবানলে পুড়ছে অস্ট্রেলিয়া, একদিনে মৃত কমপক্ষে ১২ ]

সেই তথ্য থেকেই জানা গিয়েছে, দাবানলে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে প্রায় হাজার হাজার কোয়ালা। প্রায় বিলুপ্তির তালিকায় থাকা এই প্রজাতির বেশিরভাগেরই বাস ছিল অস্ট্রেলিয়ার বনাঞ্চল। যা বর্তমানে দাবানলে ছারখার হয়ে গিয়েছে। মূলত, নিউ সাউথ ওয়েলসের মধ্য-দক্ষিণ উপকূলবর্তী অঞ্চলে বসবাসরত প্রায় আট হাজার কোয়ালার মৃত্যু হয়েছে। যা এই অঞ্চলের কোয়ালা-সংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ।

Advertisement

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং একাধিক ছবিতেও দেখা গিয়েছে যে, অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলবর্তী অঞ্চলে দাবানলের লেলিহান শিখা থেকে বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করছে ক্যাঙারুরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য প্রাণী পুড়ে মরে গিয়েছে। কাকাতুয়া-সহ অন্য অনেক পাখির মৃতদেহও গাছের নিচে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। বিধ্বংসী দাবানল থেকে বাঁচতে যেসব কৃষক আগুন থেকে বাঁচার জন্য অন্য স্থানে আশ্রয় নিয়েছিলেন, পরে বাড়ি ফিরে তাঁরা দেখেন পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে ফসলি জমি এবং গৃহপালিত প্রাণীরা।

[আরও পড়ুন:দাবানলে মৃত্যু বাবার, অস্ট্রেলিয়ায় পিতৃহারা শিশুকে সর্বোচ্চ সম্মান দমকলের ]

পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের পরিবেশবিদ মার্ক গ্রাহামের কথায়, দাবানলের জেরে সৃষ্টি হওয়া তীব্র গরম এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়া আগুনে ঝলসে মারা গিয়েছে অসংখ্য প্রাণী। বিশাল এলাকা এখনও জ্বলছে। যাতে ভবিষ্যতে মৃত বন্যপ্রাণীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.