শুভমান গিলের (Shubman Gill) ক্যাচ ধরে বিরাট কোহলির আগ্রাসী উল্লাস ছিল চোখে পড়ার মতো। ভুবনেশ্বর কুমারের বলে কোহলি যখন গুজরাট টাইটান্স অধিনায়কের ক্যাচ নেন, তখন তাঁর আগ্রাসী সেলিব্রেশন ও উল্লাস স্টেডিয়ামকে মুহূর্তে উত্তপ্ত করে তোলে। নেটপাড়ায় অনেকেই লেখেন, ‘কোহলি মানেই আগুন। তার এনার্জি একটুও কমে না।’ কিন্তু এবার গিলের পালা। ম্যাচের পর তিনিও খোঁচা দিতে ছাড়লেন না বিরাট কোহলি-সহ গোটা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে।
এই বিষয়ে আরও খবর
সোশাল মিডিয়ায় গুজরাট অধিনায়কের পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে চর্চা। ম্যাচ শেষে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে সতীর্থদের প্রশংসা করেন গিল। সেখানে তিনি লেখেন, ‘প্লে হোল্ড জেসন হোল্ডার। টিম আজ বোল্ড পারফরম্যান্স করেছে’। উল্লেখ্য, আরসিবি’র স্লোগান ‘প্লে বোল্ড। অনেকেই এই পোস্টকে আরসিবি’র ‘বোল্ড’ ট্যাগলাইনের প্রতি পরোক্ষ কটাক্ষ হিসাবেও ব্যাখ্যা করছেন। একই সঙ্গে পোস্টে বিরাট কোহলির একটি ছবিও দেখা যায়, যা আরও জল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছে।
View this post on InstagramAdvertisement
কিন্তু হোল্ডারের নাম নিলেন কেন গিল? ঘটনাটা ঠিক কী? আরসিবি’র ইনিংসের অষ্টম ওভারে বিতর্কের সূত্রপাত। আরশাদ খানের করা শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে ঠিকমতো টাইমিং করতে পারেননি রাজত পাতিদার। বলটি অনেক উঁচুতে উঠে ডিপ অঞ্চলের দিকে যায়। ক্যাচ নিতে ছুটে আসেন গুজরাটের দুই ফিল্ডার। প্রথমে কাগিসো রাবাডা বলটির কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন। শেষ মুহূর্তে জেসন হোল্ডার এগিয়ে এসে ক্যাচটি তালুবন্দি করেন।
তবে রিপ্লেতে দেখা যায়, ক্যাচ সম্পূর্ণ করার সময় হোল্ডারের হাত বা বল মাটিতে স্পর্শ করেছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ফলে সিদ্ধান্ত তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে যায়। দীর্ঘক্ষণ রিপ্লে দেখার পর পাতিদারকে আউট ঘোষণা করা হয়। এই সিদ্ধান্তে খুশি হননি কোহলি। এর আগেই তিনি আউট হয়ে ডাগআউটে ফিরেছিলেন। সেখান থেকেই তাঁকে উত্তেজিত ভঙ্গিতে মাঠের আম্পায়ারদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। পাতিদারের উইকেটের পর আরসিবি বেশ চাপে পড়ে। এমনকী ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসাবে নেমেও বোলার মতো কিছু করতে পারেননি ভেঙ্কটেশ আইয়ার। ১৫ বলে তাঁর সংগ্রহ মাত্র ১২ রান।
এর আগেও চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচ জিতে বাঁশি হাতে পোজ দিয়ে চেন্নাই সমর্থকদের ‘খোঁচা’ দিয়েছিলেন গুজরাট অধিনায়ক। চেন্নাইকে হারিয়ে বিমানে ফেরার পথে ইনস্টাগ্রামে নিজের একটা ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন গুজরাট অধিনায়ক। দেখা গিয়েছে, বিমানের আসনে বসা গিলের হাতে একটি হলুদ হুইসেল। ছবিটির ক্যাপশনে লেখেন, ‘নন্দ্রি চেন্নাই’ (ধন্যবাদ, চেন্নাই)। সেখান থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। ক্রিকেটপ্রেমীরা এই বাঁশিটিকে চেনেন। চেন্নাইয়ে খেলা থাকলে গোটা গ্যালারিতে হলুদ জার্সি পরে এই বাঁশি বাজিয়ে দলকে উদ্বুদ্ধ করেন সিএসকে সমর্থকরা। এই পোস্ট নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। এবার গিলের চাঁদমারি আরসিবি ও বিরাট! তবে ম্যাচ শেষে দুই তারকাকে হাসিমুখে আলিঙ্গন করতে দেখা যায়। তবে নেটদুনিয়ায় পোস্ট করে প্রিন্স বনাম কিংয়ের লড়াই জমিয়ে দিলেন শুভমান। উল্লেখ্য, গুজরাট টাইটান্সের পরবর্তী ম্যাচ ৩ মে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে, আহমেদাবাদে। ৭ মে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে আরসিবি।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপে মহা অঘটন! রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় জার্মানির
-
সামুরাই সূর্যাস্ত, শিষ্য জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় গুরু ব্রাজিল
-
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের
-
এবছরই দেশে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, কী বলল ঢাকা?
-
‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’, টোপর পরিয়ে ‘জামাই আদর’, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে জনরোষ!



