Vaibhav Suryavanshi

বিশ্বকাপ ফাইনালে বৈভবের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি, ছক্কার দাপটে বল পাঠাল স্টেডিয়ামের বাইরে

চার-ছক্কার দাপটে খেই হারাল ইংরেজদের বোলিং। হারারেতে বৈভব এমন ছক্কা বৃষ্টি শুরু করল যে বলও হারিয়ে গেল। একটা বিরাট ছয় তো একেবারে স্টেডিয়ামের বাইরে! সেমিফাইনালে হাফসেঞ্চুরি করেছিল, ফাইনালে সেঞ্চুরি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৬:১৫

options
link
বিশ্বকাপ ফাইনালে বৈভবের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি, ছক্কার দাপটে বল পাঠাল স্টেডিয়ামের বাইরে

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে বৈভব ঝড়। মাত্র ৫৫ বলে সেঞ্চুরি হাঁকাল ১৪ বছরের বিস্ময় প্রতিভা। তার চার-ছক্কার দাপটে খেই হারাল ইংরেজদের বোলিং। হারারেতে বৈভব এমন ছক্কা বৃষ্টি শুরু করল যে বলও হারিয়ে গেল! একটা বিরাট ছয় তো একেবারে স্টেডিয়ামের বাইরে। সেমিফাইনালে হাফসেঞ্চুরি করেছিল, ফাইনালে সেঞ্চুরি। তার সেঞ্চুরিতে ফাইনালে বড় রানের পথে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

Advertisement

হারারেতে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ভারত। সেমিফাইনালে সেঞ্চুরি করা অ্যারন জর্জ এদিন রান পায়নি। কিন্তু চিন্তার কিছু নেই। বৈভব আছে তো! শুরুর দিকে একটু সাবধানী ক্রিকেট খেলছিল অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রে ও বৈভব। একটা সময় তো বৈভবের রান ছিল ২৩ বলে ২৪। যা একেবারেই সূর্যবংশীসুলভ নয়। কিন্তু অ্যাক্সিলেটরে পা রাখতেও বেশিক্ষণ সময় লাগেনি। জেমস মিন্টোর একটা ওভারে মারল ১৮ রান। তিনটে চার, একটা ছয়। ওখান থেকে যে স্পিড তুলল, তা আর থামেনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

হাফসেঞ্চুরি করল ৩২ বলে। তারপর ইংল্যান্ডের স্পিনার ফারহান আহমেদকে তো তুলোধোনা করে ছাড়ল। এক ওভারে তিনটে ছক্কা হাঁকাল। তার মধ্যে ‘বাপি বাড়ি যা’ ভঙ্গিতে যে ছয়টা মারল, তা সোজা স্টেডিয়ামের বাইরে। পরপর ছক্কায় একেবারে সেঞ্চুরির দোরগোড়ায়। একরান নিয়ে সেঞ্চুরি করল। সেখান থেকে দেড়শোয় পৌঁছতে লাগল মাত্র ১৬ বল। রালফি অ্যালবার্টের এক ওভারে নিল ২৭ রান! দু’টো ছয়, তিনটে চার। ইংরেজ তরুণদের তখন ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা। বাউন্ডারির বাইরে ইংল্যান্ড কোচেদের মাথায় হাত! মনে হচ্ছিল ডবল সেঞ্চুরি যেন সময়ের অপেক্ষা।

Advertisement

সেটা অবশ্য হল না। ম্যানি লুমসডেনের ব্যাক অফ দ্য লেংথ বলটা ঠিকভাবে ব্যাটে-বলে হল না। সোজা উইকেটকিপারের হাতে। তখন তার নামের পাশে ৮০ বলে ১৭৫। পকেটে ১৫টি চার, ১৫টি ছয়। আউট হওয়ার পর বিপক্ষ ক্রিকেটাররাও হাত মিলিয়ে গেল। উঠে দাঁড়িয়ে হাততালি দিল গোটা স্টেডিয়াম। সত্যিই তো, এরকম ইনিংস কি আর দেখা যাবে! অবিশ্বাস্য, অভূতপূর্ব, অনবদ্য! আর ঠিক কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায় বৈভব সূর্যবংশীকে? প্রতিপক্ষ থ, ক্রিকেটদুনিয়ার চোখ ছানাবড়া। আর ভারতের ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে গর্ব। বৈভবের সৌজন্যে যে রানের পাহাড়ে ভারত চড়েছে, তাতে জয় ছিনিয়ে আনাও কঠিন হবে না। সেটা হলেই ষোলো কলা পূর্ণ।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে
রেকর্ডের বৈভব:

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
  • ভারতের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরি (৫৫ বলে)
  • ফাইনালে দ্রুততম সেঞ্চুরি
  • দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি
  • একটি ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছক্কা (১৫)
  • টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি ছক্কা (৩০)
  • প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১৫০

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.