Vaibhav Sooryavanshi

টিম ইন্ডিয়ায় জায়গা হচ্ছে না, মনখারাপে বাবার কোলে বৈভব! ‘বাচ্চা’কে নিয়ে কী বললেন সঞ্জীব?

নামে 'বেবি বস'। বাইশ গজে আতঙ্কে থাকে প্রতিপক্ষরা। কিন্তু আসলে তো বাচ্চাই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ১৫:৩২

options
link
টিম ইন্ডিয়ায় জায়গা হচ্ছে না, মনখারাপে বাবার কোলে বৈভব! ‘বাচ্চা’কে নিয়ে কী বললেন সঞ্জীব?
ডানদিকে বাবার কোলে বৈভব। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

নামে ‘বেবি বস’। বাইশ গজে আতঙ্কে থাকে প্রতিপক্ষরা। কিন্তু আসলে তো বাচ্চাই। ভালো খেলেও টিম ইন্ডিয়ায় জায়গা হচ্ছে না। মনখারাপ তো হয়ই! টানা দু’ম্যাচে বাদ পড়ার পর বাবার কোলে শান্তির ঘুম বৈভব সূর্যবংশীর (Vaibhav Sooryavanshi)। বাবা সঞ্জীবের সঙ্গে ১৫ বছর বয়সি ক্রিকেটারের ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। অন্যদিকে বৈভবের বাদ পড়া নিয়ে মন্তব্য করলেন সঞ্জীব।

Advertisement

বাইশ গজে ইতিমধ্যে প্রতিভার দ্যুতি ছড়িয়েছে বৈভব। চলতি বছরের জুলাইতে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয়েছে। কিন্তু এখনও টিম ইন্ডিয়ার জার্সিতে দেশের মাটিতে নামা হয়নি। দিল্লিতে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে দলে জায়গা হয়নি। স্টেডিয়ামে এসে বাকি সমর্থকদের মতো হতাশ হতে হয়েছে বৈভবের বাবা সঞ্জীব সূর্যবংশীকে। এর মধ্যে ভাইরাল বাবার সঙ্গে ‘বেবি বসে’র ছবি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সেখানে দেখা যায়, সঞ্জীবের কোলে শুয়ে বৈভব। কোনওটায় মিচকি হাসছে। কোনওটায় তার বাবা কপালে হাত বুলিয়ে আদর করে দিচ্ছে। কোনওটায় দু’জনেই ঘুমোচ্ছে। মাঠে তাণ্ডব দেখালেও বৈভবের এই সারল্য হৃদয়স্পর্শী। মাঠের কোলাহলের বাইরে বাবার সঙ্গে তোলা ছবিগুলো ভক্তদের মন জয় করে নিয়েছে। অন্যদিকে স্টেডিয়ামের বাইরে সঞ্জীবকে জিজ্ঞেস করা হয়, কবে বৈভব দলে জায়গা পাবে? জবাবে বৈভবের বাবা বলেন, “যখন দলের প্রয়োজন হবে, তখন খেলবে। বাচ্চা খেলার জন্য তৈরি।”

Advertisement

 

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Anuradha Rajput (@arajput30)

আসলে বৈভবের উত্থানের পিছনে তার বাবার ভূমিকা অসীম। বিহারের সমস্তিপুরের বাসিন্দা বৈভব। সেখান থেকে ১০০ কিলোমিটার যাত্রা করে পাটনায় এসে প্রত্যেকদিন ৬০০টি বল খেলত সে। ১৬-১৭ বছর বয়সি নেট বোলারদের সামলে ব্যাটিং প্র্যাকটিস করত। নেট বোলাররা যেন প্র্যাকটিস করে, তাই তাদের জন্য বাড়তি খাবার নিয়ে আসতেন বৈভবের বাবা। নিজের জমিটুকু পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়ে ছেলের খেলার খরচ জুগিয়েছেন তিনি। ভোর চারটের সময়ে উঠে বৈভবের জন্য প্রতিদিন খাবার বানিয়ে দিতেন তার মা। পরিবারের সকলের পরিশ্রমের ফল ঝলসে উঠেছে বৈভবের পারফরম্যান্সে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.