East Bengal

নড়তেই দেননি মনবীরদের, ডার্বি মাতানো তরুণ ডিফেন্ডারকে সিনিয়র দলে ডাকতে পারেন হাবাস

শোনা যাচ্ছে এই বাঙালি ডিফেন্ডারকে সিনিয়র দলে ডাকতে পারেন আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। আরও তিন-চারজন ফুটবলারের উপর নজর রয়েছে তাঁর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬, ১৮:২৭

options
link
নড়তেই দেননি মনবীরদের, ডার্বি মাতানো তরুণ ডিফেন্ডারকে সিনিয়র দলে ডাকতে পারেন হাবাস
আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। ফাইল ছবি।

ডার্বিতে দারুণ ফুটবল উপহার দিয়েছেন লাল-হলুদের রক্ষণভাগের ফুটবলার অঙ্কন ভট্টাচার্য। সোমবার মনবীর সিংয়ের মতো জাতীয় দলের ফুটবলারকে একাধিকবার আটকে যেতে হয়েছে তাঁর সামনে। দারুণ পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেতে চলেছেন এই বঙ্গতনয়। শোনা যাচ্ছে এই বাঙালি ডিফেন্ডারকে সিনিয়র দলে ডাকতে পারেন আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। শুধু অঙ্কনই নন, আরও তিন-চারজন ফুটবলারের উপর নজর রয়েছে হাবাসের।

Advertisement

ঘরোয়া লিগের প্রতিটি ম্যাচের দিকে লক্ষ্য রেখেছেন ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) হেডস্যর। রিজার্ভ দল থেকেই সিনিয়র দলে ফুটবলার তুলে আনার লক্ষ্যে ঘরোয়া লিগের ডার্বিতে সিনিয়র ফুটবলারদের ছাড়তে চাননি হাবাস। ঘনিষ্ঠ মহলে তাঁর যুক্তি ছিল, এই তরুণ ফুটবলাররাই যখন ভালো খেলছে তাদেরই ডার্বিতে সুযোগ দেওয়া হোক। হাবাসের এই সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না তা সোমবারের ম্যাচের পরই প্রমাণিত। সোমবারের ম্যাচে মনবীর, সাহাল, আপুইয়াদের বিরুদ্ধে এক গোলে পিছিয়ে গিয়েও লড়াকু মনোভাব দেখিয়েছে লাল-হলুদের একঝাঁক অনামী তরুণ। শুধু গোল শোধ করাই নয়, ভাগ্য সহায় থাকলে পুরো তিন পয়েন্টও পেতে পারত তারা। যদিও এই ড্র-কে অনেকেই লাল-হলুদের নৈতিক জয় বলছেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে দ্বিতীয়ার্ধে মারাত্মক চোট পেয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের মনোতোষ মাঝি। যা খবর, ঘরোয়া লিগে আর তাঁর নামা হচ্ছে না। যদিও মনোতোষের পরিবর্ত হিসাবে নেমেই গোল করে দলকে সমতায় এনে সোমবার নায়ক হয়ে উঠেছেন মহম্মদ বিলাল। তাঁর উপরও নজর রয়েছে হাবাসের। ডার্বির পরের দিন অনুশীলন বন্ধ ছিল রিজার্ভ দলের। বুধবার থেকে সুপার সিক্সের প্রস্তুতিতে নেমে পড়বেন বিলালরা। অন্যদিকে মঙ্গলবার ইস্টবেঙ্গল সিনিয়র দলের অনুশীলন ছিল। জেসিন টিকে চোট কাটিয়ে সিনিয়র দলের অনুশীলনে নেমে পড়লেন।

Advertisement

ম্যাচ শেষে ইস্টবেঙ্গল কোচ অর্চিস্মান বিশ্বাস খুব একটা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেননি। কিন্তু পরে তিনি বলেন, “ছেলেদের কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। ওরা দারুণ লড়াই করেছে। আমি বলেছিলাম, হারানোর কিছু নেই। নিজেদের সেরাটা দাও। মনে মনে চেয়েছিলাম ডার্বিতে এই ছেলেগুলোই খেলুক। সিনিয়ার দল থেকে যেন কেউ না আসে। ওরা যদি ডার্বিতে সুযোগ না পেত, তাহলে খুবই খারাপ হত।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.