স্টাফ রিপোর্টার: শুরুতেই ধাক্কা। ম্যাচের আগে হঠাৎ খবর এল, প্রথম ম্যাচে পাওয়া যাবে না সামাদ আলি মল্লিককে। অথচ ইস্টবেঙ্গল কোচ আলেজান্দ্রোর পরিকল্পনায় শুরু থেকেই ছিলেন ইস্টবেঙ্গল অধিনায়ক। কিন্তু কেন?
গত মরশুমে সুপার কাপের ফাইনালে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখেন সামাদ। তারপর এই প্রথম ফেডারেশন আয়োজিত কোনও টুর্নামেন্টে নামছেন সামাদ। নিয়ম অনুযায়ী সাসপেন্ড থাকায় এই ম্যাচে তাই তিনি খেলতে পারবেন না। শুক্রবার ম্যানেজার্স মিটিংয়ে এই কথা জানান ম্যাচ কমিশনার। এরপরই চিন্তা বেড়ে যায় ইস্টবেঙ্গল কোচের। তবে এই প্রথম নয়। আই লিগ শুরু করার আগে একের পর এক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ইস্টবেঙ্গল কোচকে। প্রথমে মালয়েশিয়া থেকে শিবির করে ফেরার সময় চোট পান আমনা। প্রথম ম্যাচে তাঁর খেলার সম্ভাবনা প্রায় নেই। তবু যেহেতু টানা দু’টো ম্যাচ খেলে ফিরবে দল, তাই দলের সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে। এর পিছনে রয়েছে আরও একটি কারণ। দলের একাত্মতা বাড়াতেই এমন সিদ্ধান্ত। তবে আমনাতেই থেমে থাকেনি সমস্যা। চাকরির জায়গায় সমস্যার জন্য মণিপুর যেতে পারেননি স্ট্রাইকার বালি গগনদীপ। ফলে আক্রমণে তাঁর হাতে অপশন কমে যায়। এর পরের সমস্যা হয় ইম্ফল পৌঁছে। একবারও মূল স্টেডিয়ামে প্র্যাকটিস করতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। তবে মাঠ দেখে এসেছেন কোচ। তাঁর মনে হয়েছে ঘাসগুলো বেশ মোটা। তার উপর ম্যাচের আগেই সামাদ-সমস্যা।
[আই লিগ শুরুর আগে ক্ষুব্ধ মোহনবাগান, সমস্যার জালে ইস্টবেঙ্গল]
শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে ওঠে মাঠ নিয়ে আলেজান্দ্রোর দুশ্চিন্তার কথা। তিনি বলেন, “মাঠটা নিয়ে চিন্তায় আছি। যেটুকু দেখলাম তাতে ঘাসগুলো বেশ মোটা। এই ধরনের মাঠে যে কোনও সময় পায়ে টান ধরে যেতে পারে। যা থেকে বড় চোট আঘাতও লেগে যেতে পারে।”এই কারণেই আমনাকে নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ ইস্টবেঙ্গল কোচ। এদিন স্পষ্ট বলে দেন, ফিট না হওয়া পর্যন্ত কিছুতেই আমনাকে মাঠে নামাবেন না তিনি।
[জুনিয়র ডার্বি ঘিরে মোহনবাগান মাঠে ধুন্ধুমার, আহত বেশ কয়েকজন]
সমস্যার এখানেই শেষ নয়। নেরোকা সম্পর্কে ইস্টবেঙ্গলের কাছে খুব একটা তথ্য নেই। উলটোদিকে টিভিতে কলকাতা লিগ দেখে ইস্টবেঙ্গল সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য আছে মণিপুরের দলের কাছে। শুধু তাই নয়, কাটসুমির থেকেও লাল-হলুদ সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য পাচ্ছেন নেরোকা কোচ। তবে এই নিয়ে খুব একটা চিন্তিত দেখাল না আলেজান্দ্রোকে। বলছিলেন, “কাটসুমি ফুটবলারদের চিনতে পারে। কিন্তু আমাদের খেলার ধরন ও জানবে কী করে? প্রতিপক্ষ কঠিন। কিন্তু আমরা আত্মবিশ্বাসী।” এই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই নেরোকা ম্যাচের প্রথম একাদশ তৈরি করে ফেলেছিলেন আলেজান্দ্রো। তবে সামাদের খবর পেয়ে কিছুটা রদবদল করতে হয়। তাঁর জায়গায় রাইট ব্যাকে খেলবেন চুল্লোভা। আর লেফট ব্যাকে চুল্লোভার বদলে ফানাই। ডিফেন্সে বোরহার সঙ্গী হবেন সালাম। তাঁদের উপর ব্লকার হিসাবে খেলবেন জনি। কাশিমের সঙ্গে মাঝমাঠে প্রকাশ বা রোলুপুইয়ার মধ্যে একজনের সঙ্গে খেলতে পারেন ডিকা। আমনার পরিবর্তে প্রথম একাদশে আসছেন তিনি। এনরিকের সঙ্গে গোলের দায়িত্ব থাকবে জবি জাস্টিনের উপর।
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপে মহা অঘটন! রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় জার্মানির
-
সামুরাই সূর্যাস্ত, শিষ্য জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় গুরু ব্রাজিল
-
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের
-
এবছরই দেশে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, কী বলল ঢাকা?
-
‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’, টোপর পরিয়ে ‘জামাই আদর’, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে জনরোষ!