মেহরাজ

নিজের শহর শ্রীনগরে পুলিশের হাতে আক্রান্ত তিন প্রধানে খেলা তারকা মেহরাজউদ্দিন

কোন অপরাধের 'শাস্তি' পেলেন তিনি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২০, ১৩:৪৬

options
link
নিজের শহর শ্রীনগরে পুলিশের হাতে আক্রান্ত তিন প্রধানে খেলা তারকা মেহরাজউদ্দিন

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শ্রীনগর তাঁর নিজের শহর। এলাকায় তাঁর ভাল জনপ্রিয়তাও রয়েছে। অথচ লকডাউনের মাঝে সেই শ্রীনগরেই পুলিশের হাতে আক্রান্ত হলেন তিন প্রধানে খেলা ফুটবলার মেহরাজউদ্দিন ওয়াডু। অপরাধ? লকডাউনের মধ্যে অসুস্থ মায়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। তারই ‘শাস্তি’ ভোগ করতে হল।

Advertisement

মা অসুস্থ, খবর পেয়ে হায়দারপুরার বাড়ি থেকে গাড়ি চালিয়ে রায়নাওয়াড়িতে যাচ্ছিলেন মেহরাজ। দূরত্ব মিনিট পনেরোর। সেই সময়ই বুধশা চকে তাঁর গাড়ি আটকায় পুলিশ। অভিযোগ, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ সেখানে মারধর করেন তাঁকে। তারপর টেনে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়।

Advertisement

টুইটারে ভয়ংকর-মর্মান্তিক সেই অভিজ্ঞতার কথা নিজেই জানান ময়দানের চেনা মুখ এই কাশ্মীরি ফুটবলার। লিখেছেন, “আমার প্রতি পুলিশের আচরণে অবাক হয়ে গেলাম। যে অফিসার ইনচার্জ আমাকে আটকে ছিলেন, তিনি একথাও বলেন যে, তোমার মা মরে গেলে যাক! অকারণে কনস্টেবল আমাকে গালিগালাজও করেন। এমনকী আমার মোবাইল আর গাড়িও নিয়ে নেওয়া হয়। দু’ঘণ্টা ফোন ছাড়াই থাকতে হয় আমাকে।” যদিও পরে নিজের টুইটটি মুছে ফেলেন তিনি। এরপর আবার একটি টুইটে জানান পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কথা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বুন্দেশলিগার পর ফিরছে লা লিগা, সরকারিভাবে দিনক্ষণ ঘোষণা স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর]

লেখেন, “পুলিশ ফোন করতে দিয়েছে। ফোনে যোগাযোগের পর থানা থেকে ছাড়া পেয়েছি। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশকে শুধু একটা কথাই বলতে চাই, নিজের রাজ্য ও দেশের প্রতি আমাদের অনেক অবদান রয়েছে। তাই আমাদের মতো মানুষদের প্রতি অন্তত একটু সম্মান জানান। আপনাদের কয়েকজন আধিকারিক পশুর মতো ব্যবহার করেছেন।” গোটা ঘটনায় অবশ্য পরে ফোন করে দুঃখপ্রকাশ করেছেন শ্রীনগর পুলিশের ডিসি। পরে তাঁকে লকডাউনে বেরনোর পাসও দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি মিটে গেলে টুইট করে পুলিশকে ধন্যবাদও জানান তিনি।

[আরও পড়ুন: ‘আমার প্রাণের শহর কোথায়?’ কলকাতায় আমফানের তাণ্ডবে মর্মাহত সস্ত্রীক কিবু স্যর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.