সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মেসি না মারাদোনা, এ নিয়ে তর্কের অন্ত নেই ফুটবল সমর্থকদের মধ্যে। এ প্রজন্মের ফুটবল সমর্থকদের একাংশ মনে করেন মেসিই সর্বকালের সেরা ফুটবলার। আবার অনেকেই বলেন, বিশ্বকাপ না জিতলে মেসি কোনওদিনই মারাদোনা হয়ে উঠতে পারবেন না। নিজেকে সেরা প্রমাণ করতে হলে আর্জেন্টিনার রাজপুত্রকে পারফর্ম করতে হবে বিশ্বকাপের মঞ্চতেই। সেকথা হয়তো মানেন খোদ মেসিও। আর সেকারণেই তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জেতার জন্য ক্লাব ফুটবলে জেতা সব ট্রফি দিয়ে দিতে পারি।’
[বিশ্বকাপ জিততে চলেছে ব্রাজিল, পূর্বাভাস পেয়ে খুশির হাওয়া সাম্বার দেশে]
মেসি-মারাদোনার এই দ্বন্দ্বে সমর্থকরা যতই মেতে থাক, মারাদোনা নিজে অবশ্য বলছেন, বিশ্বকাপে মেসির কোনওকিছুই প্রমাণ করার নেই। একটি ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফুটবল রাজপুত্র বলছেন, ‘আমার মনে হয় না ওঁর কিছু প্রমাণ করার আছে, ওঁর উচিত ফুটবলটাকে উপভোগ করা।’ জাতীয় দলের বর্তমান অধিনায়ককে বেশ কিছু পরামর্শও দিয়েছেন ৮৬-র বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা দলের তারকা। মারাদোনা বলেছেন, ‘আমি মেসিকে বলব খেলা চালিয়ে যাও, নিজের খেলা উপভোগ করো, সমালোচকরা কী বলছে তা নিয়ে ভাবার প্রয়োজন নেই, বিশ্বকাপ জিততে পারবে কিনা তা নিয়েও ভাবার প্রয়োজন নেই।’
[সাফল্য সত্ত্বেও রিয়াল ছাড়ছেন জিদান, বিস্মিত ফুটবল দুনিয়া]
মারাদোনার মতে, এবারের বিশ্বকাপে ফেভরিটদের তালিকায় নেই আর্জেন্টিনা। ফুটবল রাজপুত্রের মতে, ফেভরিট না হলেও বিশ্বকাপ জেতার যথেষ্ট সুযোগ আছে নীল-সাদা ব্রিগেডের। এ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ‘আমি আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপে ফেভরিট মনে করি না কারণ ফেভরটিরা কোনওদিন বিশ্বকাপ জেতে না, তবে আমি মনে করি আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জেতার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।’ কোচ জর্জে সাম্পাওলির ফুটবলশৈলী নিয়ে অবশ্য তিনি কোনও মন্তব্য করেননি। মারাদোনা বলেন, ‘আমি সাম্পাওলিকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না, তিনি কীভাবে ফুটবল খেলান সেটাও জানিনা, তবে জাতীয় দলের অনেক ফুটবলারকে আমি চিনি, আমি জানি তাঁরা বিশ্বকাপ জেতার জন্য সবকিছু করতে পারে’
[বিশ্বকাপে গোলের নিচে ৪৫-এর ‘বুড়ো’ এল-হাদারিই ভরসা মিশরের]
কদিন বিশ্বকাপে নিজেদের ফেভরিট হিসেবে মানতে চাননি খোদ মেসিও। হাইতির বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচের পর আর্জেন্টিনা মেসি যেকথা বলেছিলেন মারাদোনার মুখ থেকেও সেই একই কথা শোনা গেল। আর সেটাই হয়তো স্বাভাবিক, কারণ একসময় বিশ্বকাপের মূলপর্বে আর্জেন্টিনার সুযোগ পাওয়াই প্রশ্নের মুখে এসে দাঁড়িয়েছিল। তাছাড়া গত কয়েকটি টুর্নামেন্টের স্মৃতিও খুব একটা সুখকর নয় নীল-সাদা সমর্থকদের জন্য। বিগত তিনটি আন্তর্জাতিক টু্র্নামেন্টের ফাইনালে উঠেও তা ঘরে তুলতে পারেননি মেসি, আগুয়েরো, ডি মারিয়া-রা। যার ফলে, বার্সার হয়ে গাদা গাদা ট্রফি জেতা মেসির সিনিয়র দলের হয়ে জেতা আন্তর্জাতিক ট্রফি বলতে গেলে শুধু একটি অলিম্পিক মেডেল।
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপে মহা অঘটন! রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় জার্মানির
-
সামুরাই সূর্যাস্ত, শিষ্য জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় গুরু ব্রাজিল
-
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের
-
এবছরই দেশে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, কী বলল ঢাকা?
-
‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’, টোপর পরিয়ে ‘জামাই আদর’, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে জনরোষ!