Asian Games 2026

বিরাটই প্রেরণা রুপোর ছেলের, কুস্তির আখড়া থেকে শুটিংয়ে গিয়ে জোড়া রুপো হিমাংশুর

হরিয়ানার জিন্দের এই বাসিন্দা তাই শুরুটা করেছিলেন আখড়ায়। তবে কুস্তি তেমন আকর্ষণ করেনি হিমাংশুকে। তাই সপ্তাহদুয়েক পর আখড়ার পাশে থাকা শুটিং রেঞ্জে পৌঁছে গিয়েছিলেন।

শিলাজিৎ সরকার
শিলাজিৎ সরকার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৭:২০

options
link
বিরাটই প্রেরণা রুপোর ছেলের, কুস্তির আখড়া থেকে শুটিংয়ে গিয়ে জোড়া রুপো হিমাংশুর
টিম ইভেন্টের পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিভাগেও রুপো উঠেছে হিমাংশুর গলায়।

পারিবারিক উত্তরাধিকার মেনে কুস্তিতে নাম লিখিয়েছিলেন হিমাংশু ধিলোঁ। আসলে যাঁর কাকা অলিম্পিয়ান, অন্যত্র অনুপ্রেরণা খোঁজার কোনও কারণই নেই। হরিয়ানার জিন্দের এই বাসিন্দা তাই শুরুটা করেছিলেন আখড়ায়। তবে কুস্তি তেমন আকর্ষণ করেনি হিমাংশুকে। তাই সপ্তাহদুয়েক পর আখড়ার পাশে থাকা শুটিং রেঞ্জে পৌঁছে গিয়েছিলেন। আর সেই শুটিংয়েই এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2026) জোড়া পদকের মালিক হয়েছেন তিনি। নাগোয়ায় ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে টিম ইভেন্টের পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিভাগেও রুপো উঠেছে হিমাংশুর গলায়।

Advertisement

কুস্তি ছেড়ে শুটিংয়ে আসা হিমাংশুর আদর্শ এই দুই খেলার কোনও তারকা নন। সেখানেও চমক। ক্রিকেট নক্ষত্র বিরাট কোহলিকে অনুসরণ করেন বছর কুড়ির এই শুটার। মঙ্গলবার নাগোয়া থেকে এক অনলাইন সাক্ষাৎকারে সে কথাই শুনিয়েছেন তিনি। “বিরাট কোহলি আমার আদর্শ। ওঁর মানসিকতা, প্রাপ্তি, খেলার ধরণ, মাঠের বাইরের চরিত্র-সবটাই আমাকে আকর্ষণ করে। বিরাট বিভিন্ন সময়ে বলেছেন, শচীন তেণ্ডুলকর ওঁর আদর্শ। আজ দেখুন, নিজের আদর্শের বহু রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন বিরাট। আমি এ সবই শিখতে চেয়েছি ওঁর থেকে। ওঁর মতো দেশকে গর্বিত করা সবসময় লক্ষ্য থাকে আমার।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কৃষিজীবী পরিবারের সন্তান হয়ে শুটিংয়ের মতো ‘মহার্ঘ্য’ খেলা চালিয়ে যাওয়া সহজ ছিল না হিমাংশুর কাছে। বরং বাবা শামসের ধিলোঁর কাছে নিজেকে প্রমাণ করতে হয়েছে। হিমাংশু বলছিলেন, “কুস্তি আমাদের পরিবারের কাছে চেনা বিষয় ছিল। কিন্তু শুটিং নিয়ে কোনও ধারণা ছিল না। তার উপর বন্দুক আর গুলির বিপুল দাম। ফলে বাবা প্রথমদিকে সন্দিহান ছিল আমার শুটিং করা নিয়ে। কিন্তু পরে আমি সাফল্য পাওয়ায় বাবার মনোভাব বদল হয়।”

Advertisement

এমনিতে শুটারদের পারফরম্যান্সে মানসিক দ্বন্দ্বের প্রভাব এড়াতে এখন একাধিক সাপোর্ট স্টাফ রয়েছেন। কিন্তু শুটিং রেঞ্জে দাঁড়িয়ে পদক-ভাবনা ঠিকই ছুঁয়ে যায় শুটারকে। ব্যতিক্রম হয়নি হিমাংশুর ক্ষেত্রেও। তাঁর কথায়, “আমি কোচ এবং মনোবিদের সঙ্গে ফাইনালের চাপ সামলানো নিয়ে কাজ করেছি। কীভাবে নিজেকে ঠাণ্ডা রাখব, সেসব শিখেছি। তারপরও ফাইনালে যাওয়া আর ব্রোঞ্জে থামার মধ্যের সেই সময়ে চিন্তা গ্রাস করছিল আমাকে। শেষ পর্যন্ত ট্রেনিং কাজে লাগিয়ে নিজেকে শান্ত রেখে শুট করে ফাইনালের ছাড়পত্র পেয়েছি।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.