কখনও আকাশের মুখ ভার তো কখনও ঝলমলে রোদ। শহর কলকাতার এই মরশুমেই ইডেন্স গার্ডেন্সে বিগত কয়েকদিন ধরে চলছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বায়োপিকের শুটিং। বাংলার মহারাজের জীবনীছবি নিয়ে অত্যুৎসাহী প্রতিটি বাঙালি। খাস কলকাতায় যখন চলছে সিনেমার শুটিং তখন সেই আবেগে আরও একটু সুরসুরি দেয় বই কী। পরিচালক মুম্বইয়ের বিক্রমাদিত্য মোতওয়ান হলেও ছবিজুড়ে বাঙালি তারকার সমহার। শুটিংয়ের মাঝে প্রকাশ্যে সৌরভের গঙ্গোপাধ্যায়ের বাবা চণ্ডীদাস গঙ্গোপাধ্যায় ওরফে ‘চণ্ডী গাঙ্গুলি’র লুক। এই চরিত্রে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয়ের কানাঘুষো আগেই শোনা গিয়েছিল। এবার সেই খবরে সিলমোহর।
আরও পড়ুন:
পরনে সাফারি স্যুট, চোখে নিকেলের চশমা, উলটে আঁচড়ানো চুল ডান হাতের কব্জিতে দেবী মঙ্গলচণ্ডীর লাল তাগা আর উঁকি মারছে হালকা ভুঁড়ি। ঠিক এই অবতারেই ‘চণ্ডী গাঙ্গুলি’লুকে ইডেন্স থেকে ক্যামেরায় লেন্সবন্দি শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। রাশভারি মেজাজেই কয়েকদিন ব্যাপী দেখা যাচ্ছে শাশ্বতকে। সফর সঙ্গী, বড় ছেলে স্নেহাশিষ গঙ্গোপাধ্যায়। যে চরিত্রে অভিনয় করছেন ছোট পর্দার ‘খলনায়ক’ রাহুল দেব বোস। ইতিমধ্যেই মুম্বইয়ে একপ্রস্থ শুটিং সেরে এসেছেন। বাবা-ছেলের যুগলবন্দি কিন্তু, বেশ ভালোই মানিয়েছেন। স্নেহাশিসের চরিত্রে রাহুল যথেষ্ট সাবলীল তা বললে অত্যুক্তি হবে না। সাদা ট্রাউজ়ার, ধূসররঙা শার্টে রাহুল যেন স্নেহাশিষের প্রতিচ্ছবি! শুটিংয়ের মাঝে আড্ডাও বেশ জমে উঠছে। তিলোত্তমার বুকে কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলো ফ্রেমবন্দি করতে ভুলছেন না পরিচালক বিক্রমাদিত্য।

গত বুধবার লেসলি ক্লডিয়াস সরণিতে ছিল চূড়ান্ত ব্যস্ততা। সামনে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব লাগোয়া এরিয়ান ক্লাব। কোনও খেলাও ছিল না, তবুও ক্লাব চত্বর একেবারে ভিড়ে ঠাসা। কারণ সেদিন সেখানে মহারাজকীয় লুকে ধরা পড়েছিলেন রাজকুমার রাও। সৌরভের চরিত্রে তাঁকে দেখা যাবে সেই বিষয় অবগত থাকলেও ‘মহারাজ’ লুকে কেমন লাগছে, তা দেখার আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য প্রোডাকশন টিম সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায়। প্রতিটি শটের পর রাজকুমার রাও বড় ছাতার আড়ালে মুখ ঢেকে ভ্যানিটি ভ্যানে ফিরছিলেন। তবে সোশাল মিডিয়ার যুগে কিছুই আর গোপন থাকে না। এরিয়ান মাঠে শুটিং চলাকালীন রাজকুমারের কয়েকটি ছবি ক্যামেরাবন্দি হয়।

এর আগে অর্থাৎ গত সোমবার বেহালার বীরেন রায় রোড সোমবার ভোর পাঁচটা থেকেই আবেগে ভেসেছিল। কিশোর সৌরভের সঙ্গে তাঁর মা অর্থাৎ নিরূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের চরিত্রে শুটিং করছিলেনন অপরাজিতা আঢ্য। গোটা এলাকাজুড়ে একেবারে হইহই রব। লাল পাড় সাদা শাড়ি, কোমর পর্যন্ত বিনুনি আর কপালে বড় লাল টিপে সেই চেনা ছন্দে অপরাজিতা হয়ে উঠেছিলেন নিরূপা গঙ্গোপাধ্যায়। কলকাতায় তান্যা কবে আসবেন তা নিয়ে মুখে কুলুপ টিম ‘দাদা’র প্রতিটি সদস্যের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপে মহা অঘটন! রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় জার্মানির
-
সামুরাই সূর্যাস্ত, শিষ্য জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় গুরু ব্রাজিল
-
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের
-
এবছরই দেশে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, কী বলল ঢাকা?
-
‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’, টোপর পরিয়ে ‘জামাই আদর’, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে জনরোষ!