West Bengal Assembly Election

সিপিআইকে আসন ছেড়ে পরে আইএসএফকে সমর্থন! নন্দীগ্রামে বামফ্রন্ট জোটে ঘোঁট

ময়দানে 'হটস্পট' নন্দীগ্রামে কয়েকদিন আগে পর্যন্ত স্থানীয় সিপিআই প্রার্থীর সমর্থনেই ময়দানে নেমেছিলেন সিপিএম নেতারা। এবার সেখানেই নতুন করে লাল পার্টির সিদ্ধান্ত, বামফ্রন্টের শরিক সিপিআই প্রার্থী শান্তি গিরির সমর্থনে প্রচার আর নয়। এবার আইএসএফ প্রার্থী সবে মিরাজ আলির পক্ষে ভোট প্রচার শুরু করেছেন সিপিএম নেতৃত্ব।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ১৩:২৭

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ১৩:২৭

options
link
সিপিআইকে আসন ছেড়ে পরে আইএসএফকে সমর্থন! নন্দীগ্রামে বামফ্রন্ট জোটে ঘোঁট zoom
ফাইল ছবি

ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগেই বামফ্রন্ট ও আইএসএফ জোট ঘিরে ঘোঁট চরমে নন্দীগ্রামে! বাংলার ভোটের ময়দানে ‘হটস্পট’ নন্দীগ্রামে কয়েকদিন আগে পর্যন্ত স্থানীয় সিপিআই প্রার্থীর সমর্থনেই ময়দানে নেমেছিলেন সিপিএম নেতারা। এবার সেখানেই নতুন করে লাল পার্টির সিদ্ধান্ত, বামফ্রন্টের শরিক সিপিআই প্রার্থী শান্তি গিরির সমর্থনে প্রচার আর নয়। এবার আইএসএফ প্রার্থী সবে মিরাজ আলির পক্ষে ভোট প্রচার শুরু করেছেন সিপিএম নেতৃত্ব। ফলে জোটে জট পাকিয়েছে বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের। তবে সিপিআই নিজেদের প্রার্থী নিয়ে অনড়। আলিমুদ্দিনের নির্দেশ বনাম শরিকি জেদের এই দ্বন্দ্বে এখন তোলপাড় গোটা নন্দীগ্রাম।

Advertisement

ভোটের মাত্র কয়েকদিন আগে প্রচারের ময়দানে প্রার্থী নিয়ে বিবাদ মিটিয়ে ফেলতে বৃহস্পতিবার রাতে সিপিএম ও আইএসএফ নেতৃত্ব এক জরুরি বৈঠকে বসে। অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই বৈঠকে বামফ্রন্টের অন্যতম শরিক দল সিপিআই-এর কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। মূলত সিপিএম এবং আইএসএফ-এর মধ্যেই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সীমাবদ্ধ থাকে। দীর্ঘ আলোচনার পর সিপিএম জেলা নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেয়, তারা জোটধর্ম মেনে আইএসএফ প্রার্থী সবে মিরাজ আলি খানের সমর্থনে প্রচার চালাবেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই বৈঠকের পরেই সিপিএম-সিপিআই-এর মধ্যে ফাটল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সিপিএমের সম্পাদক তথা জেলা বামফ্রন্টের আহবায়ক নিরঞ্জন সিহি বলেন, “প্রথমে দলীয়ভাবে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে সিপিআই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। কিন্তু পরে জোট শরিক আইএসএফকে ওই আসন ছেড়ে দেওয়া হয়। সেই কারণে দলীয় নির্দেশ মেনে জোট শরিক আইএসএফ-এর প্রার্থীর হয়েই বামফ্রন্ট প্রচারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর বাইরে কিছুই নয়।”

Advertisement

সিপিআইয়ের জেলা সদস্য সাদ্দাম হোসেন বলেন, “শান্তি গিরিই নন্দীগ্রামে বামফ্রন্টের লড়াইয়ের মুখ। তাঁকে জেতাতেই শরিক দলগুলো একজোট হয়েছে।” আইএসএফ-এর সঙ্গে সিপিএমের সখ্য নিয়ে নীরব সিপিআই প্রার্থী শান্তি গিরি। তাঁর দাবি, কর্মীদের মধ্যে কোনও বিভ্রান্তি নেই। সিপিএম নেতাদের পাশে পেয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখলেও পরিস্থিতির জটিলতা মানছেন আইএসএফ প্রার্থী সবে মিরাজ আলি খান। তিনি বলেন, “শান্তি গিরির নাম প্রত্যাহার ও জোটের সিদ্ধান্ত আরও আগে হওয়া প্রয়োজন ছিল।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement