গত জুলাই থেকেই ফের ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে ইয়েমেনে। চার বছরের যুদ্ধবিরতির পরই এই পরিস্থিতিতে সংঘাতের আবহ ক্রমেই আরও তীব্র হচ্ছে। ইরান সমর্থিত হাউথি ও সৌদি আরব সমর্থিত সরকারি বাহিনীর এই রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে নতুন করে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বর্তমানে তাইজ, মারিব, হোদেইদাহ এবং লোহিত সাগরের উপকূলীয় অঞ্চলে তুমুল স্থলযুদ্ধ চলছে।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, হাউথিদের থেকে রাজধানী সানা পুনরুদ্ধার করাই আপাতত লক্ষ্য সরকারি বাহিনীর। তাই তারা পালটা আক্রমণ করেছে। এর আগে সৌদি আরবের দক্ষিণপ্রান্তের শহরে হাউথিরা হামলা চালালে ৭৩ জন সাধারণ নাগরিক আহত হন। এদিকে রিয়াধ এই ধরনের আক্রমণ অব্যাহত রাখার বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছে। সব মিলিয়ে ক্রমেই ঘন হচ্ছে যুদ্ধের আবহ।
হাউথিরা দাবি করেছে, আল-জাউফ অঞ্চলে হওয়া সৌদি হামলার যোগ্য জবাব দিয়েছে তারা। অন্যদিকে আল-হাজম শহরের একটি কারাগারে বিমান হামলায় অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ‘আগ্রাসনের’ যোগ্য জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি হাউথিদের। ২০২২ সালে রাষ্ট্রসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি শুরু হলে বড় আকারের সংঘাত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এই নতুন সংঘাতের ফলে পরিস্থিতি রাতারাতি আরও খারাপ হয়েছে বলে ওয়াকিবহাল মহলের মত। বলে রাখা ভালো, ২০২৩-এর অক্টোবরে গাজায় সংঘর্ষ শুরুর পরে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল হাউথি। সে সময় ইজরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছিল তারা।
সৌদি রাজনৈতিক বিশ্লেষক খালেদ বাতারফি বলেছেন, হাউথিদের সাম্প্রতিক উসকানিমূলক তৎপরতা সীমা ছাড়িয়ে গেছে। তিনি আশা করছেন যে সামরিক জোট এর জবাবে ‘চোখের বদলে চোখ’ নীতি অনুসরণ করেই চলবে। অর্থাৎ আগামিদিনে এই লড়াই আরও রক্তক্ষয়ী হতে চলেছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মধ্যরাতে গ্রেটার নয়ডায় চলন্ত এসি বাসে আগুন, ঝলসে মৃত ৯, প্রাণ বাঁচাতে ঝাঁপ বহু যাত্রীর
-
জিটি রোড ও বাসরুটে আর চলবে না টোটো! নির্দেশিকা কার্যকরে কড়া পরিবহণদপ্তর
-
পড়ুয়া-পরিকাঠামোহীন! ডিসেম্বরে আরও প্রায় ৩০০ মাদ্রাসা বন্ধ হচ্ছে বাংলায়
-
সাতসকালে কালীঘাটে সস্ত্রীক গৌতম আদানি, দুপুরে হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর, বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর