Cuba

কিউবাকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বলে তোপ! রাষ্ট্রসংঘে ট্রাম্পের মন্তব্যের পরই ওয়াক আউট হাভানার

তাঁর দাবি, আমেরিকায় কখনওই কমিউনিজম আসবে না, তবে কিউবায় আসবে স্বাধীনতা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১০:৫১

options
link
কিউবাকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বলে তোপ! রাষ্ট্রসংঘে ট্রাম্পের মন্তব্যের পরই ওয়াক আউট হাভানার
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল চিত্র।

রাষ্ট্রসংঘের ভরা সভায় কিউবাকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বলে তোপ দাগলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, কিউবার বর্তমান সরকারের পতন ঘটবে শিগগিরি। এহেন আক্রমণের পরই সেখান থেকে ওয়াক আউট করেন কিউবার প্রতিনিধিরা।

Advertisement

এদিন রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার সময় ট্রাম্প বলেন যে তাঁর প্রশাসন চাইছে কিউবায় ‘মৌলিক পরিবর্তন’ হোক। দাবি করেন, সেদেশের কমিউনিস্ট সরকার অভূতপূর্ব চাপের মুখে রয়েছে। কিউবাকে ‘সম্পূর্ণ ব্যর্থ রাষ্ট্র’ হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, “আগের সময়ের চেয়েও বড় ব্যর্থতার মুখে পড়েছে কিউবা। এর পতন ঘটবেই।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, “আমার প্রশাসন কিউবার পরিস্থিতির মৌলিক পরিবর্তন চাইছে। সেখানে কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা প্রচণ্ড চাপের মুখে রয়েছে, যা ওদের উপরে সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় চাপ।” এরপরই ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, ”আমেরিকায় কখনওই কমিউনিজম আসবে না, তবে কিউবায় আসবে স্বাধীনতা।” তাঁর এহেন মন্তব্যের পরই কিউবার প্রতিনিধিরা ওয়াক আউট করেন। সকলেই বেরিয়ে যায় সভাকক্ষ থেকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ কানেল পরে এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, কিউবা তার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে। তিনি হাভানার প্রতি ওয়াশিংটনের কঠোর আচরণের কথা বলতে গিয়ে জানান, ট্রাম্প কিউবাকে বরাবরাই ‘বিপদ’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেন।

Advertisement

রাজনৈতিক মহলের দাবি, ট্রাম্প আসলে প্রমাণ করতে চাইছেন যে তাঁর শাসনকালে আমেরিকার ঘোষিত শত্রুদের অন্তত একজনের স্থায়ী নিষ্পত্তি হয়েছে। কিউবায় কমিউনিস্ট সরকারের পতন হলে লাতিন আমেরিকায় বামপন্থী ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলন বড়সড় ধাক্কা খাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে পুরো পশ্চিম গোলার্ধে একচেটিয়া দখল প্রতিষ্ঠা হবে আমেরিকার।

আগামী নভেম্বরে আমেরিকার দক্ষিণ প্রদেশগুলিতে রয়েছে সংসদীয় নির্বাচন। সেখানে ট্রাম্প জমানায় মুদ্রাস্ফীতি ও জীবনধারণের খরচ ব্যাপক বেড়ে যাওয়া, অভিবাসীদের উপর হেনস্থার ঘটনায় ট্রাম্প প্রশাসনের উপর ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। অথচ এই অঞ্চলকে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি বলে মনে করা হয়। নির্বাচনের আগে আমেরিকা যদি কিউবাকে দখলে আনতে পারে সেক্ষেত্রে এখানে ট্রাম্পের বড় জয় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আর সেই কারণেই তিনি রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে এহেন আক্রমণ শানালেন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.