ইরান যুদ্ধের জেরে মাসাধিক কাল যাবৎ অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী (Strait Of Hormuz)। জ্বালানি সংকটে ভুগছে গোটা পৃথিবী। দোষের ভাগিদার হচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যেহেতু তিনিই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। এই অবস্থায় ধৈর্য হারালেন তিনি। রবিবার সামাজমাধ্যমে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ দিয়ে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ঠিক কী বলেছেন তিনি?
সোশাল মিডিয়ায় ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে হামলা চালাবে আমেরিকা। ওই দিন দেশটির সমস্ত সেতু ধ্বংস করা হবে। ভয়ংকর বিপর্যয়ের মধ্যে পড়বে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর দেশ। তিনি বলেছেন, “মঙ্গলবার ইরানে একই সঙ্গে ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র দিবস’ এবং ‘সেতু দিবস’ পালিত হবে। আগে যেমনটা হয়নি!” এর পরেই ছাপার অযোগ্য ভাষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “… প্রণালীটা খুলে দে, পাগল … কোথাকার, নইলে তোদের নরকে ঠাঁই হবে। আল্লাহকে ডাক!”
আরও পড়ুন:
৩৭ দিন যুদ্ধের পরেও পিছু হটছে না ইরান। উলটে তারা মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বন্ধু দেশগুলির অর্থনৈতিক ও সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালীর উপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত। এই পরিস্থিতিতে আপত্তিকর ভাষায়, কার্যত গালাগাল দিয়ে ইরানকে হুমকি দিলেন ট্রাম্প। আগেও হুমকি দিয়েছিলেন, সোমবারের মধ্যে হরমুজ খুলে না দিলে ইরানে ‘ভয়াবহ পরিস্থিতি’ ডেকে আনবেন। এর পরেও অবশ্য কাজ হয়নি। উলটে হরমুজ কৌশলে নতুন করে শান দিচ্ছে ইরান। এই অবস্থায় রবিবার ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙল মার্কিন প্রেসিডেন্টের। একটি বিষয় স্পষ্ট— মঙ্গলবার ইরানে ভয়ংকর হামলা চালাবে মার্কিন সেনা। প্রশ্ন হল, এর পরেও কি পরাজয় মানবে ইরান? অবসান হবে যুদ্ধের?
সর্বশেষ খবর
-
৬৫ বছর পর সত্যজিৎ স্মৃতির নিমতিতা রাজবাড়িতে ছবির শুটিং, প্রকাশ্যে ‘দহন বেলার প্রেম’-এর ট্রেলার
-
পিতৃপক্ষ শুরু হওয়ার আগেই বাড়ি থেকে সরান এই ৫ জিনিস, অশুভ প্রভাব কাটবে
-
ট্রাম্প যা চান, জিনপিং কি তা দেবেন? ‘ড্রাগন-ঈগল নৃত্যে’ বিগড়াতে পারে দিল্লির ‘বহিখাতা’
-
রতনে রতন চেনে! ৫০ লাখের তোলাবাজিতে সুমিতের ‘সঙ্গী’ আইপ্যাকের প্রতীক জৈনের আপ্তসহায়ক?
-
শিল্ডেও ভরসা জুনিয়ররা, কাস্টমসের বিরুদ্ধে জিতে অভিযান শুরু ইস্টবেঙ্গলের