Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Pitru Paksha 2026

পিতৃপক্ষ শুরু হওয়ার আগেই বাড়ি থেকে সরান এই ৫ জিনিস, অশুভ প্রভাব কাটবে

এবছর পিতৃপক্ষ শুরু হচ্ছে ২৬ সেপ্টেম্বর, শনিবার, রাত ১০টা ২০ মিনিটে। শেষ হচ্ছে ১০ অক্টোবর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ১৮:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ১৮:২০

options
link
পিতৃপক্ষ শুরু হওয়ার আগেই বাড়ি থেকে সরান এই ৫ জিনিস, অশুভ প্রভাব কাটবে zoom
ঘরের পরিবেশ কেবল ভৌগোলিক স্থান নয়, তা শক্তির এক আধার।
Advertisement

দুর্গাপুজোর আর কয়েক দিন। তার আগে পিতৃপক্ষ (Pitru Paksha 2026)। এবছর পিতৃপক্ষ শুরু হচ্ছে ২৬ সেপ্টেম্বর, শনিবার, রাত ১০টা ২০ মিনিটে। শেষ হচ্ছে ১০ অক্টোবর। শাস্ত্রের নির্দেশ অনুযায়ী পূর্বপুরুষদের স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানানোর পরম মুহূর্ত। বেশিরভাগ পরিবারে এই সময় শ্রাদ্ধ, তর্পণ, পিণ্ডদানের মতো আচার পালন করা হয়। তাই, পিতৃপক্ষ শুরু হওয়ার আগেই বাড়িঘর পরিষ্কার করার নিয়ম রয়েছে। কিছু জিনিস এই সময় ঘরে রাখা অশুভ। সনাতন শাস্ত্র মতে, মহালয়ার এই পূণ্যলগ্নে পূর্বপুরুষেরা মর্ত্যে আগমন করেন এবং বংশধরদের গৃহের স্থূল ও সূক্ষ্ম শক্তি পরীক্ষা করেন।

শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ঘরের পরিবেশ কেবল ভৌগোলিক স্থান নয়, তা শক্তির এক আধার। সেখানে যদি স্থবিরতা, জীর্ণতা বা অশুচিতা জমা হয়, তবে তা পিতৃপুরুষদের সূক্ষ্ম আত্মাকে ক্লিষ্ট করে। তাই পিতৃপক্ষ শুরুর আগেই গৃহ থেকে কয়েকটি নির্দিষ্ট উপাদান অপসারণ করা আবশ্যিক।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

(১) দেবালয় বা গৃহের ঠাকুরঘর হল পবিত্রমণ্ডলের কেন্দ্রবিন্দু। সেখানে যদি কোনও খণ্ডিত প্রতিমা বা জীর্ণ চিত্রপট থাকে, তবে শক্তির সংযোগ ব্যাহত হয়। দেবালয়ে অখণ্ডতা ও সূচিতা বজায় রাখা পূর্বপুরুষদের অর্ঘ্য নিবেদনের প্রথম শর্ত।

(২) কালে গতিশীলতাই জীবনের লক্ষণ। গৃহে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ঘড়ি মূলত সময় ও শক্তির স্থবিরতাকে নির্দেশ করে। পিতৃপুরুষদের তর্পণের মূল উদ্দেশ্যই হল আত্মার গতি প্রদান করা। তাই বন্ধ ঘড়ি রাখা শাস্ত্রীয় দৃষ্টিতে বাঞ্ছনীয় নয়; হয় তা সচল করুন, নয়তো দ্রুত নিষ্কাশন করুন।

(৩) অন্ন পূর্ণতার প্রতীক। যে পাত্রে অন্ন বা পানীয় গ্রহণ করা হয়, তা সুগঠিত হওয়া কাম্য। রান্নাঘরে জমে থাকা চিড় ধরা বা ভাঙা পাত্র অশুভ শক্তির বার্তা বহন করে। গৃহে দৈন্য ও শক্তির অপচয় রোধ করতে এমন অকেজো পাত্র পরিত্যাগ করাই বিধেয়।

(৪) জং ধরা লোহা বা ক্ষয়প্রাপ্ত ধাতু তামসিক শক্তির বৃদ্ধি ঘটায়। পূর্বপুরুষদের আবাহনে সত্ত্বগুণের প্রাধান্য প্রয়োজন। জং ধরা ধাতব বস্তু গৃহে নেতিবাচক আবেশ তৈরি করে, যা তর্পণের পূণ্যফল প্রাপ্তিতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

(৫) প্রকৃতি ও জীবনের প্রতীক হল সবুজ উদ্ভিদ। গৃহে শুষ্ক, মলিন বা প্রাণহীন বৃক্ষ রাখা জীবনের গতিহীনতার সূচক। পিতৃপক্ষের আগে শুষ্ক শাখা ও পচে যাওয়া পাতা ছেঁটে ফেলে জীবনদায়িনী সজীবতার সঞ্চার করা আবশ্যক।

পরিশেষে, ঘরের অন্ধকূপ বা অপ্রকাশিত কোণে জমে থাকা অনাবশ্যক জঞ্জাল সরিয়ে স্থানটিকে উন্মুক্ত ও নির্মল করে তুলুন। সূচিতা, পরিচ্ছন্নতা এবং মুক্ত বায়ুর প্রবাহই পিতৃপুরুষদের প্রীতি বিধানের শ্রেষ্ঠ উপায়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.