FCRA Bill

‘খ্রিস্টানদের উপর আঘাত’, মোদি সরকারের এফসিআরএ বিলে ‘বন্ধু’ দেশের সঙ্গে সম্পর্কে অবনতির হুঁশিয়ারি!

প্রস্তাবিত বিলে বলা আছে, কেন্দ্র চাইলে সব সংস্থাকে বিদেশি বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত টাকা খরচ করার সময়সীমা বেঁধে দিতে পারে। এছাড়াও কোনও সংস্থা যদি বিদেশি বিনিয়োগের লাইসেন্স নবীকরণের আবেদন না করে, বা সরকার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তাহলে ওই সংস্থার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২৬, ১৪:২০

options
link
‘খ্রিস্টানদের উপর আঘাত’, মোদি সরকারের এফসিআরএ বিলে ‘বন্ধু’ দেশের সঙ্গে সম্পর্কে অবনতির হুঁশিয়ারি!
মোদি সরকারের প্রস্তাবিত বিল পাশ হয়ে গেলে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে অবনতি হবে।

মোদি সরকারের প্রস্তাবিত বিল পাশ হয়ে গেলে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে অবনতি হবে। সাফ একথা জানিয়ে দিলেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য রাইলি মুর। তাঁর কথায়, মোদি সরকারের আনা এই বিল সরাসরি খ্রিস্টানদের উপর আঘাত হানার অস্ত্র। এই বিলের কারণে ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক খারাপ হয়ে যাবে, জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

গত ২৫ মার্চ লোকসভায় পেশ হয় ফরেন‌ কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন সংশোধনী বিল ২০২৬ (FCRA Bill)। প্রস্তাবিত বিলে বলা আছে, কেন্দ্র চাইলে সব সংস্থাকে বিদেশি বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত টাকা খরচ করার সময়সীমা বেঁধে দিতে পারে। এছাড়াও কোনও সংস্থা যদি বিদেশি বিনিয়োগের লাইসেন্স নবীকরণের আবেদন না করে, বা সরকার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তাহলে ওই সংস্থার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে।

Advertisement

ভারতে একাধিক খ্রিস্টান সংগঠন এই আইনের আওতায় বিদেশি অনুদান পেয়ে এসেছে। সম্প্রতি সরকারের কড়াকড়িতে অনেক অনুদান বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে খবর। সেই বিষয়টিই তুলে ধরেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলের সাংসদ। তাঁর কথায়, “ভারতের সঙ্গে খ্রিস্টানদের বহু দিনের সম্পর্ক। কিন্তু দীর্ঘ ইতিহাস সত্ত্বেও FCRA বিলে সংশোধনী বিল নিয়ে আলোচনা হচ্ছে ভারতের পার্লামেন্ট, যার ফলে গির্জা এবং ধর্মীয় সংগঠনগুলি রাশ সরকারের হাতে চলে যাবে। এটা পরিষ্কারভাবে খ্রিস্টানদের উপর আক্রমণ। যদি এই বিল এইভাবে এগোতে থাকে তাহলে আমাদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খারাপ হবে।”

Advertisement

আসলে FCRA লাইসেন্স ব্যবহার করেই বিদেশ থেকে অনুদান নেয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলো। তবে কেন্দ্রের সবুজ সংকেত ছাড়া বিদেশি অনুদান গ্রহণ করা যায় না। ২০১০ সালের ফরেন কনট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্টের আওতায় রেজিস্ট্রেশন করতে হয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোকে। প্রতি বছর ওই বিদেশি বিনিয়োগ পাওয়ার লাইসেন্স যাচাই করা হয়। প্রতি বছর কোনও না কোনও সংস্থার লাইসেন্স বাতিলও করা হয়। নতুন বিল অনুযায়ী কারও লাইসেন্স বাতিল হয়ে ওই সংস্থা আগে যা অনুদান পেয়েছে সবটাই সরকারের খাতায় চলে যাবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.