Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Pakistan

ব্যর্থ প্রশাসন, দুর্নীতিতে ডুবে পাকিস্তান! শরিফ সরকারকে সরিয়ে ফের সেনা অভ্যুত্থান পড়শি দেশে?

মুনির-ঘনিষ্ঠ মহসিন নকভির একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে চর্চা শুরু।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২৬, ১৬:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২৬, ১৬:৫১

options
link
ব্যর্থ প্রশাসন, দুর্নীতিতে ডুবে পাকিস্তান! শরিফ সরকারকে সরিয়ে ফের সেনা অভ্যুত্থান পড়শি দেশে? zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

পাকিস্তানে সেনা অভ্যুত্থান কোনও নতুন কথা নয়। ইতিহাস সাক্ষী, তিন-তিনবার সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেদেশের কুরসি দখল করেছিলেন ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান (১৯৫৮), জেনারেল মহম্মদ জিয়া-উল-হক (১৯৭৭) এবং জেনারেল পারভেজ মোশাররফ (১৯৯৯)। এবার কি চতুর্থ সামরিক বা সেনা অভ্যুত্থান হতে চলেছে পড়শি দেশে? জল্পনা উসকে দিচ্ছে সেদেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভির একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য।

এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, পাকিস্তানের প্রশাসন পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এবার তাঁর দাবি, পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্নীতি হয়েছে। যে দুর্নীতিতে নাকি জড়িত আমলা থেকে রাজনীতিবিদ, এমনকী বিচারপতিরাও। তাঁর এহেন মন্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মনে করা হচ্ছে, সেনাই ফের দখল করতে চাইছে সেদেশের মসনদ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

চতুর্থ সামরিক বা সেনা অভ্যুত্থান হতে চলেছে পড়শি দেশে? জল্পনা উসকে দিচ্ছে সেদেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভির একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য।

নকভির সঙ্গে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের দহরম মহরম সকলেরই জানা। এবার তাঁর দাবি, বিপুল ওই দুর্নীতির সঙ্গে পাক প্রশাসনের প্রত্যেকেই জড়িত! তাঁর কথায়, ”আমার মনে হয় না পাকিস্তানের ইতিহাসে এর চেয়ে বড় দুর্নীতি আর হয়েছে বলে। বিচারপতি, আমলা, রাজনীতি ও ব্যাঙ্কাররা সবাই যুক্ত রয়েছেন। ২১ বছরেই দেশে ঘুষ নেওয়া চলছে। মানুষ কথাও বলছে সেটা নিয়ে। যাঁরা জড়িত, সকলকেই আমরা ধরব।” এখানে লক্ষণীয়, সকলকে দায়ী করলেও তিনি ভুলেও সেনার কারও নাম নেননি। ফলে মনে করা হচ্ছে, শাহবাজ শরিফ সরকারের সঙ্গে নকভির দূরত্বই এখানে পরিষ্কার। সেই সঙ্গেই সেনাকেও তিনি সমস্ত বিতর্ক থেকে দূরে রাখছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নকভির মনের ভিতরে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অদম্য ইচ্ছে। মুনিরকে তাই ‘হাতে রেখে’ই তিনি এগতে চাইছেন। এমনকী, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধে মধ্যস্থতার বৈঠকেও মুনির তাঁকেই সঙ্গে রেখেছিলেন। আগামিদিনে তাঁরা জোট বেঁধেই শাহবাজ প্রশাসনকে সরিয়ে দিতে পারেন বলেই মনে করছেন অনেকে। যদি সেটাই হয়, তাহলে ফের পাকিস্তানের রাজনীতিতে একটা বড়সড় গোলমাল দেখা যাবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.