ISKCON

Russia-Ukraine War: যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনে সেবাধর্ম ISKCON-এর! বিপন্ন মানুষদের জন্য খুলে দেওয়া হল মন্দিরের দ্বার

এর আগে চেচায়া যুদ্ধের সময়ও যুদ্ধপীড়িত মানুষদের সেবা করেছিল ইসকন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২, ১৫:৪৯

options
link
Russia-Ukraine War: যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনে সেবাধর্ম ISKCON-এর! বিপন্ন মানুষদের জন্য খুলে দেওয়া হল মন্দিরের দ্বার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের (Ukraine) সাধারণ মানুষদের পাশে দাঁড়াল ইসকন (ISKCON Temple)। দুর্দশাগ্রস্ত মানুষদের জন্য খুলে দেওয়া হল মন্দিরের দরজা। কলকাতার ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমন দাস শনিবারই জানিয়ে দিয়েছেন, ইউক্রেন জুড়ে ইসকন মন্দিরগুলি অভাবী মানুষের সেবা করার জন্য প্রস্তুত।

Advertisement

কী বলেছেন তিনি? তাঁর কথায়, ”আমাদের ভক্তরা এবং মন্দিরগুলি বিপন্ন মানুষদের সেবা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের মন্দিরের দরজা তাঁদের সেবার জন্য উন্মুক্ত। হরে কৃষ্ণ।” ইউক্রেনে ইসকনের ৫৪টি মন্দির রয়েছে। রাধারমণ জানাচ্ছেন, কিয়েভে থাকা তাঁদের সমস্ত ভক্তই নিরাপদে রয়েছে। অক্ষত রয়েছে মন্দিরগুলি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ওষুধ সংস্থার কর্মী সেজে কোটি টাকার প্রতারণা! কলকাতা পুলিশের জালে নাইজেরিয়ার যুবক]

মানুষের সেবা করার কথা জানাতে গিয়ে রাধারমণ বলছেন, ”জীবন আপনাকে লেবু দিলে লেবুর সরবত বানিয়ে নিন। ইউক্রেনে থাকা আমাদের ভক্তরা আরও এক ধাপ এগিয়ে। যখন জীবন তাঁদের লেবু ছুঁড়ে মারছে, তখন লেবুর সরবত বানিয়েই তাঁরা ক্ষান্ত হননি। তা সকলের মধ্যে ভাগ করেও দিতে শুরু করেছেন। এই কঠিন সময়ে আমাদের ভক্তরা নিজেদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়েই মানুষের সেবায় ব্রতী হয়েছেন।”

তবে এই প্রথম নয়, এর আগে চেচায়া যুদ্ধের সময়ও যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার মানুষদের সেবা করেছিল ইসকন। বিশেষ করে ফ্ল্যাটে আটকে পড়া বয়স্ক মানুষরা, যাঁদের দেখভাল করার কেউ নেই, তাঁদের সেবা করেছিলেন ভক্তরা। এবং সেই সময় যে অনেককে প্রাণও হারাতে হয়েছে তাও উল্লেখ করেছেন রাধারমণ।

[আরও পড়ুন: আনিস কাণ্ডে এবার পথে TMCP, সিট’কে ধন্যবাদ জানাতে কলকাতায় হবে মিছিল]

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ইউক্রেনের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে রুশ (Russia) সেনা। শুরু হয় লাগাতার বোমাবর্ষণ। এরপর শুক্রবার কিয়েভে ঢুকে পড়ে পুতিন বাহিনী। গুঁড়িয়ে গিয়েছে বহু বাড়ি। প্রাণভয়ে বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছেন অনেকে। এই পরিস্থিতিতে সেখানকার দুর্দশাগ্রস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়াল ইসকন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন