Karoline Leavitt

মাতৃত্বকালীন ছুটি থেকে ফিরে আসতে চাপ! মার্কিন প্রেস সচিব পদে ইস্তফা ক্যারোলিনের, ক্ষুব্ধ ট্রাম্পের উপর?

ক্যারোলিন ঘনিষ্ঠরা জানাচ্ছেন, মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকার সময় চাকরি ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলেন। ট্রাম্প নিয়মিত তাঁর খোঁজখবর নিতেন এবং বারবার জানতে চাইতেন তিনি কবে কাজে ফিরবেন। কার্যত তাঁর উপর চাপ দেওয়া হত বলে অভিযোগ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ১৫:০৫

options
link
মাতৃত্বকালীন ছুটি থেকে ফিরে আসতে চাপ! মার্কিন প্রেস সচিব পদে ইস্তফা ক্যারোলিনের, ক্ষুব্ধ ট্রাম্পের উপর?
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিবের পদে ইস্তফা দিলেন ক্যারোলিন লেভিট। ছবি: সংগৃহীত।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অন্যতম বিশ্বস্ত সহযোগী হিসাবে পরিচিত। সেই ক্যারোলিন লেভিট এবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিবের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। আগস্টের শেষেই তিনি তাঁর পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন। ক্যারোলিনের (Karoline Leavitt) এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা ছড়িয়েছে। একটি সূত্রের খবর, মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকাকালীন বারবার তাঁকে কাজে ফেরার জন্য চাপ দিতেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপর ক্ষুব্ধ হয়েই কি তাহলে এই সিদ্ধান্ত? উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement

মে মাসে দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দেন ২৮ বছর বয়সি ক্যারোলিন। এর কয়েক সপ্তাহ পরই জুলাই মাসে তিনি কাজে ফেরেন। কিন্তু একমাসের মধ্যেই তিনি ইস্তফা দেওয়া দিলেন। এ প্রসঙ্গে ক্যারোলিন বলেন, “বিশ্বের অন্যতম কঠিন ও শ্রমসাধ্য একটি পেশায় কর্মরত থাকা অবস্থায় মা হওয়া আমার জীবনের তৃপ্তিদায়ক অধ্যায়। অথচ একইসঙ্গে এটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিংও।” তিনি আরও বলেন, “দ্বিতীয়বার মা হওয়ার হয়ে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর আমি মনেপ্রাণে অনুভব করেছি যে, হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিবের দায়িত্ব পালনের জন্য যে নিরন্তর সময়, শক্তি ও মনোযোগ প্রয়োজন, তা হয়তো আমি দিতে পারছিনা।”

Advertisement

ক্যারোলিন ঘনিষ্ঠরা জানাচ্ছেন, মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকার সময় চাকরি ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলেন। ট্রাম্প নিয়মিত তাঁর খোঁজখবর নিতেন এবং বারবার জানতে চাইতেন তিনি কবে কাজে ফিরবেন। কার্যত তাঁর উপর চাপ দেওয়া হত বলে অভিযোগ। তবে অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, সন্তানদের দেখাশোনার পাশাপাশি কাজ করা তাঁর জন্য কঠিন হয়ে যাচ্ছিল। তিনি নাকি ঠিকমতো ঘুমানোর সুযোগ পেতেন না; আবার কাজের মানও যাতে কোনওভাবে কমে না যায় সেদিকেও তাঁর খেয়াল ছিল। ক্যারোলিন জানিয়েছেন, নিঃসন্দেহে এটি তাঁর জীবনের অন্যতম কঠিন একটি সিদ্ধান্ত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.