চিন-পাকিস্তানকে চাপে রাখতে ইরান সফরে মোদি

ভারতের সঙ্গে মধ্য প্রাচ্যের দেশ ইরানের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে চাপে রয়েছে দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তান ও চিন৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০১৬, ১০:৫২

options
link
চিন-পাকিস্তানকে চাপে রাখতে ইরান সফরে মোদি
ইরানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নরেন্দ্র মোদি: ফাইল চিত্র

স্টাফ রিপোর্টার:  ভারতের সঙ্গে মধ্য প্রাচ্যের দেশ ইরানের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে চাপে রয়েছে দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তান ও চিন৷ প্রথমে ইরানের চাবাহারে ভারত-ইরান যৌথ উদ্যোগে বন্দর নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তার একমাসের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইরান সফর৷ এই দুই বিষয়ই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রতিবেশীদের৷ মোদি চলতি মাসের ২২-২৩ মে, দু’দিনের জন্য ইরান সফরে যাচ্ছেন৷ পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে ভারতের তেল আমদানিকে দ্বিগুণ করার লক্ষ্যেই মোদির এই ইরান সফর বলে জানা গিয়েছে৷ একসময় এই দেশগুলি থেকেই ভারতের তেল আমদানির বড় একটা অংশ আসত৷ সেই যোগাযোগ ফের মসৃণ করে তুলতে নয়াদিল্লি বেশ কিছু দিন আগে থেকেই ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছিল৷

Advertisement

তবে শুধুমাত্র তেল আমদানিই নয়, চাবাহারে বন্দর করার পিছনে ভারতের অন্য কূটনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে৷ চিন ও পাকিস্তান দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রর হাতে হাত মেলানো ও পাকিস্তানের গদরে চিনের বন্দর তৈরির ঘোষণার পরই নড়েচড়ে বসে নয়াদিল্লি৷ পাল্টা জবাব দিতেই ভারত ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করে চাবাহারে বন্দর তৈরির বিষয়ে চূড়ান্ত সিলমোহর দেয়৷ পাকিস্তানের গদরের থেকে মাত্র ৭২ কিলোমিটার পশ্চিমে রয়েছে চাবাহার৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ইরান সফরে তেল আমদানি, চাবাহার বন্দর তৈরির মতো বিষয়গুলির সঙ্গে সঙ্গে আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থা বৃদ্ধি, পরিকাঠামো, শক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা, দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলিতে জোর দেওয়া হবে বলেও বিদেশমন্ত্রকের দেওয়া বিবৃতিতে জানানো হয়েছে৷ প্রধানমন্ত্রীর ইরান সফরের আগেই কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি, পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ইরান ঘুরে এসেছেন৷

Advertisement

ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত হলে ও চাবাহরে বন্দর তৈরির পর আফগানিস্তানের সঙ্গেও ভারতের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে৷ ভারত থেকে আফগানিস্তানে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে পাকিস্তান তাদের মাটি বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয় না৷ ইরানের মাধ্যমেই তা করতে হয়৷ চাবাহার বন্দর তৈরি হলে এই প্রক্রিয়া আরও মসৃণ হবে৷ ভারত-ইরান-আফগানিস্তান এই তিন দেশের মধ্যে জোট হলে মধ্য প্রাচ্যে চিনের প্রাধান্য বিস্তারের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে বলেই কূটনৈতিক মহলের অনুমান৷ কূটনৈতিক বিষয়গুলি ছাড়াও ইরানের থেকে তেল আমদানির পথ সুগম হলে আর্থিকভাবেও ভারত লাভবান হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.