Donald Trump

‘ভদ্রতার দিন শেষ’, সোমবারের বৈঠক সফল না হলে ইরান ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ইরান ধ্বংসের হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প জানালেন, ইরানের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিতে সোমবার পাকিস্তানে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধি দল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ২০:৪৭

options
link
‘ভদ্রতার দিন শেষ’, সোমবারের বৈঠক সফল না হলে ইরান ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
সোমবারের বৈঠক সফল না হলে ইরান ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের।

‘অনেক ভদ্রতা দেখানো হয়েছে, আর নয়। ইরান যদি চুক্তিতে না আসে তবে তছনছ করে দেওয়া হবে ইরানকে। একটাও ব্রিজ ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র আস্ত থাকবে না।’ রবিবার কড়া সুরে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে তিনি জানালেন, ইরানের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিতে সোমবার পাকিস্তানে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধি দল।

Advertisement

রবিবার ইরানের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ‘গতকাল হরমুজ প্রণালী গুলি চালিয়েছে ইরান। যা সংঘর্ষবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন। ফ্রান্স ও ব্রিটেনের জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছে। এটা ঠিক হয়নি। তাই তো? আমাদের প্রতিনিধিরা দ্বিতীয় দফার বৈঠকে যোগ দিতে পাকিস্তানে যাচ্ছেন। সোমবার সন্ধ্যায় সেখানে পৌছবেন তারা।’ এরপরই ট্রাম্প লেখেন, ‘আমরা ওদের ন্যায্য ও যুক্তি সঙ্গত প্রস্তাব দিচ্ছি। আশা করছি ওরা এটা গ্রহণ করবে। যদি তা না করে তবে ইরানের প্রতিটি সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেওয়া হবে। আর কোনও ভদ্রতা নয়। সহজভাবে যদি তারা চুক্তি গ্রহণ না তবে যা করা হবে সেটা আমাদের জন্য সম্মানের। গত ৪৭ বছর ধরে অন্যান্য মার্কিন প্রেসিডেন্টদের যা করা উচিত ছিল ইরানের বিরুদ্ধে আমরা সেটাই করব। সময় এসেছে ইরানের হত্যাযন্ত্রের অবসান ঘটানোর।’

Advertisement

ট্রাম্পের বার্তা, ‘আমরা ওদের ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত প্রস্তাব দিচ্ছি। আশা করছি ওরা এটা গ্রহণ করবে। যদি তা না করে তবে ইরানের প্রতিটি সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেওয়া হবে। আর কোনও ভদ্রতা নয়।’

ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি এমন সময়ে এসেছে যখন হরমুজ ইস্যুতে নতুন করে সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। লেবাননের সঙ্গে সংঘর্ষবিরতির পর হরমুজ খুলে দিয়েছিল ইরান। তবে আমেরিকা তাদের অবরোধ না তোলায় ফের হরমুজে তালা ঝুলিয়েছে মোজতবা খামেনেইয়ের দেশ। তবে ট্রাম্পের দাবি এই সিদ্ধান্তে ইরানেরই ক্ষতি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ওরা না বুঝে আমাদেরই সাহায্য করছে। এই পথ বন্ধ থাকায় দৈনিক ৫০ কোটি ডলারের ক্ষতি হচ্ছে ওদের।’

Advertisement

এদিকে ইরান-আমেরিকার দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠককে কেন্দ্র করে সেজে উঠেছে ইসলামাবাদ। একাধিক জায়গায় কার্যত লোকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে বৈঠক হবে তার আশপাশে ১০ হাজারের বেশি নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে। ৬০টির বেশি পুলিশ চৌকি বসানো হয়েছে। অন্যদিকে বৈঠকের আগে ইরানের প্রতিনিধি মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ বলেন, ‘ইরান স্থায়ী শান্তি চায়, তবে আমেরিকার প্রতি আমাদের বিশ্বাস নেই। এটাই শান্তির পথে সবচেয়ে বড় বাধা।’ একইসঙ্গে বলেন, ‘আমেরিকা অবরোধ না তুললে হরমুজ দিয়ে যান চলাচল সীমিত থাকবে।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.