Pakistan

হরমুজে মার্কিন পাহারা, ইরানের জন্য নিজেদের ৬ বাণিজ্যপথ খুলল পাকিস্তান, রেগে কাঁই ট্রাম্প!

ইরানকে বাণিজ্যপথ খুলে দেওয়ার পাক সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ডেরেক জে গ্রসম্যান। তাঁর বক্তব্য,ইরানকে আর্থিক চাপের মধ্যে রাখতে চাইছেন ট্রাম্প, সেই কারণেই হরমুজ এবং ইরানের বন্দরগুলিতে নজরদারি চালানো হচ্ছে। সেই সময় তাদের জন্য বিকল্প বাণিজ্যপথ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া যায় না।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১৬:২০

options
link
হরমুজে মার্কিন পাহারা, ইরানের জন্য নিজেদের ৬ বাণিজ্যপথ খুলল পাকিস্তান, রেগে কাঁই ট্রাম্প!
মধ্যস্থতার বিষয়েও পাকিস্তানের উপর ভরসা হারিয়েছে আমেরিকা।

হরমুজে চাকা ঘুরে গিয়েছে। সেখানে এখন দাদাগিরি করছে আমেরিকা। ইতিমধ্যে ইরানের একাধিক জাহাজ বাজেয়াপ্ত করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৌসেনা। এই নিয়ে চাপানউতরের মধ্যেই রাশিয়া, চিন ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্যের জন্য ইরানকে নিজেদের ছয়টি স্থলপথ খুলে দিল পাকিস্তান। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই আমেরিকার সঙ্গে শাহবাজ শরিফ সরকার তঞ্চকতা করছে বলে অভিযোগ উঠল। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, বিপজ্জনক কূটনৈতিক কৌশল নিয়েছে ইসালামাবাদ। তারা সাপের মুখে চুমু খাচ্ছে, ব্যাঙের মুখেও।

Advertisement

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষবিরতিতে প্রথম থেকেই মধ্যস্থতায় উদ্যোগী হয় পাকিস্তান। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে বৈঠক হয় ইসলামাবাদে। শুরু থেকেই ইরানের মুখপাত্রের কাজ করে শাহবাজ শরিফ সরকার। ওয়াশিংটনের কাছে তেহরানের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছিল তারা। দ্বিতীয় দফাতেও দু’পক্ষের মধ্যে বৈঠকের উদ্যোগ নিয়েছিল পাকিস্তান। যদিও তা ফলপ্রসু হয়নি। তথাপি সংঘর্ষবিরতির পর শাহবাজ শরিফ এবং পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে প্রশংসায় ভরিয়ে ছিলেন ট্রাম্প। সেই তাদের বিরুদ্ধে এখন দু’মুখী সাপের তত্ত্ব উঠ আসছে।

Advertisement

ইরানকে বাণিজ্যপথ খুলে দেওয়ার পাক সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ডেরেক জে গ্রসম্যান। তাঁর বক্তব্য,ইরানকে আর্থিক চাপের মধ্যে রাখতে চাইছেন ট্রাম্প, সেই কারণেই হরমুজ এবং ইরানের বন্দরগুলিতে পাহারা বসেছে। সেই সময় তাদের জন্য বিকল্প বাণিজ্যপথ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া যায় না। উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতেই ভারতে ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রেউভেন আজহার মন্তব্য করেছিলেন, পাকিস্তানকে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে বিশ্বাস করা যায় না। এখন ওয়াশিংটনও একই কথা বলছে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, শুধু বাণিজ্যপথ খুলে দেওয়াই নয়, যুদ্ধের মধ্যস্থতা নিয়েও পাকিস্তানের প্রতি ভরসা হারিয়েছে আমেরিকা। এই অবস্থায় ইসলামাবাদকে এড়িয়ে দুই পক্ষ নিজেদের মধ্যে সরাসরি কথা বলছে বলেই খবর মিলছে। আল জাজিরার রিপোর্ট অনুযায়ী, আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছে, এখন তারা পাকিস্তানের মাধ্যমে কথা বলার বদলে ইরানের সঙ্গে সরাসরি ফোনে কথা বলার ব্যাপারে উৎসাহী। এখন আগের থেকে অনেক সুষ্ঠুভাবে ইরানের সঙ্গে কথাবার্তা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.