Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Pakistan

যুদ্ধ হল ইরানে, নাভিশ্বাস পাকিস্তানের! তেলের দাম চড়চড়িয়ে বাড়তেই বেকায়দায় ইসলামাবাদ

ঋণ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রায় মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে পাক অর্থনীতি। সব মিলিয়ে প্রবল সমস্যায় পড়তে হচ্ছে আমজনতাকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১৮:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১৮:৫২

options
link
যুদ্ধ হল ইরানে, নাভিশ্বাস পাকিস্তানের! তেলের দাম চড়চড়িয়ে বাড়তেই বেকায়দায় ইসলামাবাদ zoom
পাকিস্তান রয়েছে যে তিমিরে, সেই তিমিরেই।
Advertisement

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে বেকায়দায় পাকিস্তান (Pakistan)। ইসলামাবাদ একদিকে যুদ্ধ রুখতে মধ্যস্থতার চেষ্টা করে চলেছে। অন্যদিকে যুদ্ধের ভয়াল ধাক্কায় নাভিশ্বাস উঠছে তাদেরই। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন সেনার হামলায় ইরানের সুপ্রিম লিডার খামেনেইয়ের মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তেল আমদানি করতে পাকিস্তানের খরচ হত ৩০০ মিলিয়ন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় তা ২ হাজার ৮৫৫ কোটি টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৮০০ মিলিয়ন ডলার। যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। এতখানি পার্থক্যে রীতিমতো ধুঁকছে পাক অর্থনীতি।

এদিকে এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে অসুবিধার মধ্যে পড়েছেন সাধারণ পাক জনতা। ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে জ্বালানির দাম প্রায় ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই এহেন পরিস্থিতিতে নিত্যদিনের ব্যবহার্য বস্তুর দামও বেড়েছে। ফলে সব মিলিয়ে প্রবল সমস্যায় পড়তে হচ্ছে আমজনতাকে।

Advertisement

হরমুজ প্রণালীতে তেল পরিবহণে বাধা পড়ার পর থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। সরবরাহ থমকে যাওয়াতেই এই পরিস্তিতি। যদিও শাহবাজ সরকার চেষ্টা করছে সংকট মোকাবিলায়। এর মধ্যে রয়েছে কিছু কিছু পরিষেবা বিনামূল্যে দেওয়ার মতো পদক্ষেপও। তবুও সমস্যার সমাধান হয়নি। ফলে পাকিস্তান রয়েছে যে তিমিরে, সেই তিমিরেই।

প্রসঙ্গত, এমনিতেই দেনার দায়ে ধুঁকছে পাকিস্তানের অর্থনীতি। এহেন পরিস্থিতিতে সৌদি আরব ও কাতারের থেকে বিপুল অঙ্কের ঋণ নিয়েছে ইসলামাবাদ। নানা দেশ ও সংস্থা থেকে বিপুল পরিমাণে ঋণ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রায় মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে পাক অর্থনীতি। মূল্যবৃদ্ধির সমস্যায় জেরবার আমজনতার বোঝা আরও বাড়িয়ে নয়া কর চাপাচ্ছে শাহবাজ শরিফের সরকার। অবস্থা যে তথৈবচ তা বোঝা গিয়েছিল বছরের শুরুতে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মন্তব্যে। তাঁকে বলতে শোনা যায়, “এখন বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তবে ঋণও বেড়েছে। আপনারা তো জানেনই, ঋণ নিলে মাথা হেঁট হয়ই। আমার আর আসিম মুনিরেরও হয়েছে। ঋণ নেওয়া আমাদের আত্মসম্মানে আঘাত। এর জন্য আমরা অনেক কিছুতেই না বলতে পারি না।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.