Russian President

খরচ সামলাতে ট্যাক্সিও চালিয়েছেন পুতিন! তথ্যচিত্রে জানালেন রুশ প্রেসিডেন্ট

সোভিয়েত রাশিয়ার পতনকে বিশ শতকের সবচেয়ে বড় ভূরাজনৈতিক বিপর্যয় বলে দাবি প্রেসিডেন্টের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৩, ২০২১, ১৫:২৩

options
link
খরচ সামলাতে ট্যাক্সিও চালিয়েছেন পুতিন! তথ্যচিত্রে জানালেন রুশ প্রেসিডেন্ট

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরিবারের প্রয়োজনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ট্যাক্সিও চালিয়েছেন। এক তথ্যচিত্রে এমনটাই জানিয়েছেন খোদ ভ্লাদিমির পুতিন ((Russia President Vladimir Putin) । জানিয়েছেন, সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর দেশের অধিকাংশ মানুষ টালমাটাল আর্থিক অবস্থার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। পুতিন-ও তার ব্যতিক্রম ছিলেন না। পরিস্থিতি সামাল দিতে গাড়ি ভাড়া দিয়েছেন। নিজেই চালিয়েছেন সেই গাড়ি।

Advertisement

রাশিয়া সরকার পরিচালিত আরআইএ নোভস্তির তরফে একটি তথ্যচিত্র বানানো হয়েছে। সেই তথ্যচিত্রেই এই কথা জানিয়েছেন পুতিন। তাঁর কথায়, “অতিরিক্ত রোজগারের জন্য গাড়ি ভাড়া খাটিয়েছি। সেই গাড়ি চালিয়েছি আমিও। তবে এসব নিয়ে এখন কথা বলা অর্থহীন। তবে এটাই সত্যি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: Omicron: টিকার কার্যকারিতা অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে ‘ওমিক্রন’, দাবি WHO’র]

পুতিনের কথায়, তিন দশক আগে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন অধিকাংশ দেশবাসীর কাছে অত্যন্ত দুঃখের। দেশবাসীকে বিরাট আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছিল। চরম দারিদ্র্যে ডুবে গিয়েছিল লক্ষাধিক মানুষ। যদিও অল্প সময়ের মধ্যে ঘুরে দাঁড়িয়ে শ্রেষ্ঠত্বের শীর্ষে পৌঁছেছে বলে দাবি করেছেন পুতিন। তবে সোভিয়েত রাশিয়ার পতনকে বিশ শতকের সবচেয়ে বড় ভূরাজনৈতিক বিপর্যয় বলে মনে করেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট।

Advertisement

সমালোচকরা বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলিতে আগ্রাসন চালিয়ে ফের একবার সোভিয়েত ইউনিয়ন গড়তে চাইছেন পুতিন। ইউক্রেনের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এই আগ্রাসনের সবচেয়ে বড় প্রমাণ বলেও দাবি করছেন কেউ-কেউ। যদিও তাদের দাবি উড়িয়ে ক্রেমলিন জানিয়ে দিয়েছে, রাশিয়ার আদৌ এমন কোনও পরিকল্পনা নেই। 

[আরও পড়ুন: মানব পাচারের বড়সড় ছক! আনন্দপুরে ধৃত আরও ১৭ বাংলাদেশিকে জেরায় চাঞ্চল্যকর তথ্য]

প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকবছর ধরে পূর্ব ইউক্রেনে সরকারি বাহিনী ও ‘রাশিয়ার মদতপুষ্ট’ বিদ্রোহীদের মধ্যে লড়াই চলছে। বিদ্রোহীরা ওই অঞ্চলকে ইউক্রেন থেকে পৃথক করে রাশিয়ার অংশ হিসেবে ঘোষণা করতে চায়। পরিস্থিতি আরও ঘোরাল হয়ে ওঠে ২০১৪ সালে। হামলা চালিয়ে ক্রিমিয়া দখল করে রাশিয়া। তারপর থেকেই অধুনা সোভিয়েত ইউনিয়ন-ভুক্ত দুই দেশের মধ্যে বিবাদ চরমে। এহেন পরিস্থিতিতে গত শুক্রবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি অভিযোগ জানিয়েছেন যে মস্কো কলকাঠি নেড়ে তাঁর সরকারকে উপড়ে ফেলতে চাইছে। ইতিমধ্যে অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস হয়েছে। এই পরিকল্পনায় বেশ কয়েকজন রুশ নাগরিক জড়িত বলেও অভিযোগ করেন জেলেন্সকি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.