Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২২ জুন ২০২৬
US

‘প্রতিরক্ষা-বন্ধু’ আমেরিকা! দিল্লিকে যুদ্ধকপ্টার, কামান-সহ ৪,৫৬৬ কোটির সমরাস্ত্র সাহায্যে অনুমোদন ওয়াশিংটনের

অ্যাপাচে প্যাকেজের মূল্য ১৯ কোটি ৮২ লক্ষ মার্কিন ডলার। এম-৭৭৭ প্যাকেজের মূল্য প্রায় ২৩ কোটি ডলার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ২১:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ২১:১৫

options
link
‘প্রতিরক্ষা-বন্ধু’ আমেরিকা! দিল্লিকে যুদ্ধকপ্টার, কামান-সহ ৪,৫৬৬ কোটির সমরাস্ত্র সাহায্যে অনুমোদন ওয়াশিংটনের zoom
১৭ জুন মার্কিন ‘ডিফেন্স সিকিউরিটি কো-অপারেশন এজেন্সি’ এই নোট প্রকাশ করেছে।

ফের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে জোটবদ্ধ ভারত ও আমেরিকা। দিল্লিকে ৪,৫৬৬ কোটি টাকার সমরাস্ত্র সহায়তা প্রস্তাবে অনুমোদন দিল ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকার। এই চুক্তি অনুযায়ী ভারতকে অ্যাপাচে যুদ্ধ-হেলিকপ্টারের এবং এম-৭৭৭ কামানের যন্ত্রাংশ বিক্রি করবে ওয়াশিংটন। পাশাপাশি অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ-সহ সংশ্লিষ্ট সহায়তা পরিষেবা দেওয়া হবে।

গত ১৮ মে মার্কিন কংগ্রেসে বিদেশ দপ্তর সংক্রান্ত কমিটি ভারতকে সামরিক সহায়তার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছিল। ১৭ জুন মার্কিন ‘ডিফেন্স সিকিউরিটি কো-অপারেশন এজেন্সি’ ফেডারেল রেজিস্টারে এই নোট প্রকাশ করেছে। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে অ্যাপাচে প্যাকেজের মূল্য ১৯ কোটি ৮২ লক্ষ মার্কিন ডলার। এম-৭৭৭ প্যাকেজের মূল্য প্রায় ২৩ কোটি ডলার। দু’টি অস্ত্রের লজিস্টিকস, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সাহায্য এবং মেরামতি ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত বিষয় রয়েছে এই চুক্তিতে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অ্যাপাচে কপ্টার ৬৪-ই

১২৮টি লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করতে পারে অ্যাপাচে কপ্টার ৬৪-ই। আঘাত হানতে পারে ১২টিতে। হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেটের পাশাপাশি অ্যাপাচেতে রয়েছে ৩০ এমএম অটোক্যানন। যা থেকে দু’মিনিটে ১,২০০ রাউন্ড গুলি ছোড়া যায়। ২৮০০ ফুট উচ্চতায় উড়তে পারে আমেরিকায় তৈরি এই যুদ্ধকপ্টার। ভারতের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইজরায়েলের বায়ুসেনা ওই হেলিকপ্টার ব্যবহার করে।

১৪৫টি এম-৭৭৭ কামান ‘হাউইৎজার’

সামরিক পরিভাষায় আল্ট্রালাইট হাউইৎজার। টাইটেনিয়াম দিয়ে তৈরি হওয়ায় এই এম-৭৭৭ কামানগুলির ওজন ৪ টন। যা কামানটির সক্ষমতা অনুযায়ী ভীষণ হালকা। এই কারণেই আকাশপথে হেলিকপ্টারের সাহায্যে ঝুলিয়ে যথাস্থানে পৌঁছে দেওয়া যায়। ১৬ হাজার ফুট উচ্চতার সীমান্ত চৌকিতেও এম-৭৭৭ পাঠানো যায় অনায়াসেই। এতখানি হালকা হলেও ২৪ কিলোমিটার থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরবর্তী স্থানে ভারী গোলাবর্ষণে সক্ষম এই ১৫৫ এমএম কামানটি। উল্লেখ্য, লাদাখ এবং অরুণাচল প্রদেশের চিন সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় ভারী বফর্স কামান পাঠানো কঠিন। সেখানেই কাজে আসবে ‘হাউইৎজার’।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.