Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Andy Burnham

ইস্তফা স্টারমারের, ব্রিটেনের মসনদে এবার কে?

ক্ষোভ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠায় স্টারমারের বিদায় ছিল সময়ের অপেক্ষাই। তাঁর পরিবর্ত কে? আপাতত এই নিয়েই আলোচনা তুঙ্গে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ১৬:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ১৬:৫০

options
link
ইস্তফা স্টারমারের, ব্রিটেনের মসনদে এবার কে? zoom
ইস্তফা দিয়েছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার।
Advertisement

জল্পনা সত্যি করে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন কিয়ের স্টারমার। ব্রিটেনের ১০ বছরের ইতিহাসে তিনি ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী যিনি মেয়াদ পূরণের আগেই পদত্যাগ করলেন। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কে হবেন স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত? যার নামটি সবচেয়ে আগে উচ্চারিত হচ্ছে তিনি অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। গত শুক্রবার উপনির্বাচনে তাঁর জয়ের পরই স্টারমারের পদত্যাগের দাবি জোরাল হয়ে ওঠে। কিন্তু কে এই বার্নহ্যাম?

১৯৭০ সালে জন্ম। ছাপ্পান্ন বছরের বার্নহ্যাম উত্তর ইংল্যান্ডের চ্যাম্পিয়ন। ‘কিং অফ দ্য নর্থ’। অতিমারীর দিনগুলোয় কনজারভেটিভ সরকারের বিরোধিতার মধ্যে দিয়েই বলিষ্ঠ নেতা হিসেবে উঠে আসেন তিনি। নিজের নির্বাচনী এলাকার গণ্ডি পেরিয়ে এক জাতীয় রাজনৈতিক পরিচিতি পান। পরবর্তী সময়ে তৈরি হয়েছে তাঁর বহু সমর্থক। কোভিড-১৯ মহামারীর সময় কনজারভেটিভ সরকারের সাথে বিরোধের মধ্য দিয়ে উত্তর ইংল্যান্ডের একজন বলিষ্ঠ প্রবক্তা হিসেবে তিনি যে ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছেন, তা তাঁকে নিজ নির্বাচনী এলাকার গণ্ডি পেরিয়ে এক জাতীয় রাজনৈতিক পরিচিতি এনে দিয়েছে। আর এবার তিনি চলে এসেছেন একেবারে প্রথম সারিতে।

Advertisement

তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, উত্তর ইংল্যান্ডের বাইরে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা কি রয়েছে? আসলে তাঁর রাজনৈতিক ভাবমূর্তি মূলত আঞ্চলিক পরিচিতি এবং শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। তাঁর গ্রেটার ম্যানচেস্টার ও উত্তরাঞ্চলের অন্যান্য এলাকায় একনিষ্ঠ সমর্থকগোষ্ঠী গড়ে ওঠার এটাই কারণ। তবে প্রধানমন্ত্রী হতে হলে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ড—পুরো যুক্তরাজ্য জুড়েই সমর্থন অর্জন করা প্রয়োজন। সমালোচকদের একাংশের মতে, মেয়র হিসেবে বার্নহ্যামের কাজের রেকর্ড অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক হলেও, তা জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে একইভাবে সফল হবে—এমনটা নিশ্চিত করে বলা যায় না। ফলে শেষপর্যন্ত বার্নহ্যামই ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হন কিনা সেটাই দেখার।

বলে রাখা ভালো, স্টারমারের লেবার পার্টির শতাধিক সাংসদ প্রকাশ্যে বলেন প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। ক্ষুব্ধ এই এমপিরা হাউস অফ কমন্সে দলের মোট আসনের প্রায় এক-চতুর্থাংশের প্রতিনিধিত্ব করেন। ফলে ক্ষোভ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠায় স্টারমারের বিদায় ছিল সময়ের অপেক্ষাই। তাঁর পরিবর্ত কে? আপাতত এই নিয়েই আলোচনা তুঙ্গে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.