৬ আশ্বিন  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার, ঢাকা: সন্ত্রাসবাদবিরোধী চলচ্চিত্র ‘মিস্টার বাংলাদেশ’–এর নায়ক ও পরিচালক খিজির হায়াত খানকে হত্যার পরিকল্পনা ভেস্তে দিল পুলিশ। ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম এই অপারেশনটি চালিয়েছে। সোমবার রাতে ঢাকার অভিজাত পল্লি বনানী থেকে ধৃত ওই দুই ব্যক্তি আনসার আল ইসলামের সদস্য বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

ধৃত দুই ব্যক্তির নাম এমদাদ ও আবুবকর। তাঁদের দু’জনের বাড়িই ফরিদপুর। আনসার আল ইসলামে এমদাদের ছদ্মনাম আবু সলমন ওরফে হুযায়ফা। আর আবু বকরের নাম ফাহিম আবদুল্লাহ। এমদাদের বাড়ি ফরিদপুর শহরে। তাঁর পরিবারের সব পুরুষ সদস্যই সৌদি আরবে থাকেন বলে খবর। ফাহিমদের বাড়ি ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে। ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইমের উপকমিশনার মহিবুল ইসলাম খান জানান, ধৃত দু’জনই সৌদি আরবে থাকত। তাঁরা সৌদি আরব থেকে আনসার আল ইসলামের অন্য সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল বলে অভিযোগ। খিজির হায়াত খানকে হত্যার মিশনে আরও তিন-চারজন থাকতে পারেন বলে অনুমান পুলিশের। তাঁদেরও খোঁজ শুরু হয়েছে।

নির্বাচনী প্রচার শুরু হতেই আওয়ামি লিগ-বিএনপি সংঘর্ষ, নিহত ১ ]

‘মিস্টার বাংলাদেশ’ ছবিতে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে একদল লোক কীভাবে তরুণদের জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে, তা দেখান হয়েছে। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে একটি দল খিজির হায়াত খানকে হত্যার পরিকল্পনা করে। মাস দুয়েক আগে এমদাদ ও আবু বকর সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশ আসে। তারা খিজিরের কুমিল্লার বাড়িতে যায়। খিজিরের বাবাকে বলে, তারা খিজিরের ভক্ত। সরল বিশ্বাসে খিজিরের বাবা তাদের পুরো বাড়ি ঘুরে দেখান। ঢাকায় ফিরে তারা বেশ কয়েকবার বনানীতে খিজিরের অফিসের চারপাশে রেইকি করেন বলে অভিযোগ। ধৃতদের মোবাইলে খিজিরের কুমিল্লার বসার ঘর, খাবার ঘর-সহ অন্যান্য ঘরের ছবি পাওয়া গিয়েছে। খিজির হায়াত খান মঙ্গলবার বলেন, মাস দুয়েক আগে তাঁকে পুলিশ সাবধানে থাকার পরামর্শ দেয়। তাদের কাছ থেকেই তিনি প্রথম জানতে পারেন যে তাঁকে হত্যার জন্য একটি দল প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যে গত ১৩ নভেম্বর ‘মুসলিম সাংবাদিক’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। তিনি বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশকে জানান।

পুলিশ সূত্রে খবর, একটি গোয়েন্দা সংস্থা প্রথমে বিষয়টি জানতে পারে। সংস্থাটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে সেটি জানায়। পরে পুলিশ সদর দপ্তরের মাধ্যমে বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব পায় কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম। খিজিরকে যে হত্যার পরিকল্পনা করছে, তা জানতে পেরেই ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করা হয়। কারা এর পিছনে রয়েছে, তা শনাক্ত করতে তাদের প্রায় মাস দুয়েক সময় লেগেছে।

সরকারি নির্দেশে বাংলাদেশে বন্ধ ৫৮টি নিউজ পোর্টাল ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং