৩০ আষাঢ়  ১৪২৬  সোমবার ১৫ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার,ঢাকা:  অপকর্ম চলছিল ঠিকঠাকভাবেই৷ কিন্তু গোল বেঁধে গেল কিশোরীর শরীর অবনতি ঘটায়, আর অন্যজনের গর্ভধারণের চিহ্ন প্রকাশ্যে আসায়৷ আর তাতেই বাংলাদেশের দুই ভদ্রবেশী নায়কের কীর্তি ফাঁস হয়ে যায়। 

[আরও পড়ুন: লাইনচ্যুত উপবন এক্সপ্রেস, দুর্ঘটনায় ক্রমশই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা]

প্রথম ঘটনা ফরিদপুরের মধুখালি উপজেলার কামারখালি ইউনিয়নের মছলন্দপুর গ্রামে। বাড়ির ১১ বছরের এক কাজের মেয়েকে এক বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে মালিক আরিফ মোল্লার বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে মধুখালি থানার পুলিশ অভিযুক্ত বছর আটত্রিশের আরিফ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে। আরিফ মোল্লার বিরুদ্ধে শিশুটির মা বাদী হয়ে মধুখালি থানায় শনিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

শিশুটির মা জানিয়েছেন, তাঁদের আর্থিক পরিস্থিতি ভাল না হওয়ায় তার মেয়েকে আরিফ মোল্লার বাড়ির কাজে বহাল করা হয়। অভিযোগ, বাড়িতে কাজ করার সুবাদে আরিফ মোল্লা মেয়েটিকে এক বছর ধরে ধর্ষণ করে আসছে। বিষয়টি জানাজানি হলে, শিশুটিকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে৷ তাই সেও এতদিন চুপ করে ছিল, কাউকে কিছু বলেনি।তবে সম্প্রতি মেয়েটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সে মাকে সমস্ত বিষয় খুলে বলে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি থানায় মামলা করেন। মধুখালি থানার ওসি (তদন্ত) জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে আরিফ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ধর্ষিতাকে পরীক্ষার জন্য আদালতের মাধ্যমে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

[আরও পড়ুন: চুক্তি কার্যকর, আগামী মাসেই বাংলাদেশের অনুষ্ঠান দেখা যাবে দূরদর্শনে]

 দ্বিতীয় ঘটনাটি কুমিল্লা জেলার মেঘনার রামপ্রসাদের চর গ্রামে। দুই সন্তানের জননী এক প্রবাসীর স্ত্রীকে কয়েকবার ধর্ষণের জেরে ওই মহিলা এখন ছ’মাসের গর্ভবতী। তিনি নিজেই দু’জনের বিরুদ্ধে মেঘনা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। প্রবাসীর স্ত্রী’র অভিযোগ, নিকট আত্মীয় সেলিমের কাছে বিদেশ থেকে টাকাপয়সা পাঠাতেন তাঁর স্বামী। সেই সুবাদে সেলিম তাঁদের ঘরে নিয়মিত যাতায়াত করতেন এবং তাঁকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে। কয়েকদিন পর আবার এই কুকর্ম করতে গেলে বাধা দেন মহিলা৷ তাতে সেলিম ক্ষুব্ধ হয়ে আগের ঘটনা জনসমক্ষে আনার হুমকি দেয়৷ এভাবে একাধিকবার ধর্ষণের পর শ্যালককে এই কাজে শামিল করেন৷

অন্ত:সত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নির্যাতিতা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি খাদেজা বেগমকে জানান৷ সেই খবর পেয়ে অভিযুক্তরা তাঁকে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে গর্ভস্থ ভ্রূণ নষ্ট করে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে৷ এ বিষয়ে মেঘনা থানার ওসি মজিদ বলেন, ধর্ষণে গৃহবধূ ছ’মাসের গর্ভবতী হওয়ার লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং