Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Bangladesh

হাত-পা ছাড়াই জন্মাল শিশু! আঁতকে উঠে বাবা বললেন, ‘ফেলে দাও’, কী করলেন মা?

হাসপাতালের বিছানায় বসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে লিজা বলেন, “এটি আমার তৃতীয় সন্তান। জীবিকার তাগিদে আমি ঢাকায় দিনমজুরি করি। সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় কয়েক দিন আগেই আমি ফিরি। গত ২২ এপ্রিল আমার সন্তান জন্ম নেয়। কিন্তু সে স্বাভাবিক নয়। বিকলাঙ্গ। ওর হাত-পা নেই। আমার স্বামী বলেছেন, ওকে ফেলে দাও।"

সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ১৭:৫০

link
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ১৭:৫০

options
link
হাত-পা ছাড়াই জন্মাল শিশু! আঁতকে উঠে বাবা বললেন, ‘ফেলে দাও’, কী করলেন মা? zoom
ছবি: এআই দ্বারা নির্মিত।
Advertisement

বাংলাদেশের পিরোজপুরে জন্ম নিল এক বিকলাঙ্গ শিশু। শিশুটির হাত-পা কিছুই গঠন হয়নি। গোটা ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। সন্তানকে দেখে আঁতকে উঠে বাবা বলেছিলেন, “ওকে ফেলে দাও।” কিন্তু শিশুকে বুকে আগলে হাসপাতাল থেকে ঘরে ফেরেন মা। জানা গিয়েছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁদের বিলও মুকুব করে দেয়।

গত বুধবার পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদে জন্ম নেয় ওই বিকলাঙ্গ শিশু। শিশুটির দুই পায়ের কোনওটাই গঠিত হয়নি। শুধু মাত্র অর্ধেক গঠিত হয়েছে একটি হাত। জন্মের পর সন্তানকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন বাবা। বলেন, “ওকে অন্যত্র দিয়ে এসো বা ফেলে দাও।” কিন্তু স্বামীর এমন ‘নিষ্ঠুর’ নির্দেশ উপেক্ষা করে সন্তানকে বুকে নিয়েই বাড়ি ফেরেন মা লিজা আক্তার। অস্ত্রোপচার-সহ চিকিৎসার সমস্ত খরচই মুকুব করে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

হাসপাতালের বিছানায় বসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে লিজা বলেন, “এটি আমার তৃতীয় সন্তান। জীবিকার তাগিদে আমি ঢাকায় দিনমজুরি করি। সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় কয়েক দিন আগেই আমি ফিরি। গত ২২ এপ্রিল আমার সন্তান জন্ম নেয়। কিন্তু সে স্বাভাবিক নয়। বিকলাঙ্গ। ওর হাত-পা নেই। আমার স্বামী বলেছেন, ওকে ফেলে দাও। কিন্তু আমি তা পারব না। স্বামী আমাকে না রাখলেও, আমি আমার সন্তানকে ছেড়ে যাব না।” হাসপাতালের এক আধিকারিক গোলাম মোস্তফা বলেন, “তাঁদের অবস্থা বিবেচনা করে আমরা ওদের সব খরচ মুকুব করে দিয়েছি।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.