৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার, ঢাকা: শেষ মুহূর্তে এসে তরী ডুবল। ২২ আগস্ট থেকে রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও, সেই সংকট থেকেই গেল৷ আর এজন্য বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং মায়ানমার প্রশাসনতে দুষল বাংলাদেশ।

[ আরও পড়ুন: সরকারি হাসপাতালে হাসিনা, লাইন দিয়ে টিকিট কেটে দেখালেন ডাক্তার

এ বিষয়ে বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানান, ‘‘কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত বেসরকারি সংস্থাগুলোকে, তাদের (এনজিও) রোহিঙ্গা প্রত্যর্পণবিরোধী ভূমিকার বিষয়ে সতর্ক করেছে সরকার। ‘এনজিও প্ল্যাটফর্ম কো-অর্ডিনেশন’-এর কান্ট্রি কোঅর্ডিনেটর ডমিনিকা আরসেনিক বৃহস্পতিবার এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর কার্যালয়ে সংস্থার মহাপরিচালকের সঙ্গে বৈঠক করতে গেলে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়।’’ এ সময় সংস্থাগুলো দেশের প্রচলিত আইনবিরোধী কাজে লিপ্ত নয় বলেও তাদের পক্ষে জানানো হয়েছে। এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর প্রধান কে এম আবদুস সালাম বলেন, ‘‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত ‘এনজিও প্ল্যাটফর্ম কোঅর্ডিনেশন’ থেকে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এদিন বৈঠকে আসে। এ সময় তাদের রোহিঙ্গা প্রত্যর্পণবিরোধী ভূমিকার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। তারা এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত নয় বলে জানিয়েছে।’’

[ আরও পড়ুন: বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ছে ভারতের, আরও উন্নয়নের আশা ]

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছা প্রত্যর্পণ নিশ্চিত করতে গত ২১ আগস্ট বিবৃতি দিয়েছে ৬১টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এ ক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছা প্রত্যর্পণের অধিকারের প্রতি সম্মান জানাতে জোর দেওয়া হয়। এদিন মায়ানমারের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী বলেন, ‘‘দিন-তারিখ ঠিক হয়নি। চিনের রাষ্ট্রদূত আমার সঙ্গে দেখা করেছেন। তারা মায়ানমারের সঙ্গে আলাপ করে আমাদের জানাবেন।’’

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং