Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Bangladesh Power Crisis

আঁধারে বাংলাদেশ! লোডশেডিংয়ের জ্বালায় হাসপাতালে টর্চ হাতে রোগীসেবা নার্সদের

গত কুড়ি বছরে এমন পরিস্থিতি হয়নি পড়শি দেশে, বেহাল জনজীবন!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ১৭:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ১৭:২৮

options
link
আঁধারে বাংলাদেশ! লোডশেডিংয়ের জ্বালায় হাসপাতালে টর্চ হাতে রোগীসেবা নার্সদের zoom
ছবি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
Advertisement

প্রবল বিদ্যুৎ সংকটের মুখে বাংলাদেশ। গত কুড়ি বছরে এমন বিভ্রাট দেখেনি পড়শি দেশ। স্বাভাবিক ভাবেই সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপন বিঘ্নিত হচ্ছে। এমনও পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, যেখানে হাসপাতালে টর্চ হাতে রোগীর সেবা করতে হচ্ছে নার্সদের! ফেসবুক-সহ সমস্ত সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল বহু বাংলাদেশির পোস্ট। তাঁদের আক্ষেপ, এমন বিদ্যুং সংকট স্মরণাতীত কালে র মধ্যে দেখা যায়নি।

সোশাল মিডিয়ায় ‘বাংলাদেশ পাওয়ার কাট’, ‘ঢাকা লোডশেডিং’-এর মতো নানা সার্চ করলেই গুচ্ছ গুচ্ছ পোস্ট ভেসে উঠছে ডিজিটাল পর্দায়। পাশাপাশি বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলিতেও প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। আর সেখানেই উঠে এসেছে টর্চ হাতে নার্সের রোগীসেবার কথা। জানা গিয়েছে, বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে প্রতি এক বা দুই ঘণ্টা অন্তর বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছিল। ফলে ব্যাকআপ জেনারেটরের জন্য ডিজেলও ফুরিয়ে গিয়েছিল। নার্সদের রোগীদের সেবার সময় মোবাইল ফোনের টর্চ ব্যবহার করতে হয়েছে। অন্যদিকে রোগীরা গরম থেকে স্বস্তি পেতে হাতপাখা ব্যবহার করেছেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অনেকেরই মনে পড়ছে গত শতকের নয়ের দশকের কথা। সেই সময় কীভাবে দোকানে গিয়ে লাইন দিয়ে কেরোসিন কেনা হত। তারপর কেরোসিনের আলোয় সারা রাত কাটাতে হত। ২০২৬ সালে ফের সেই দিন ফিরে আসায় বিব্রত বহু মানুষ। সব মিলিয়ে রীতিমতো ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।

বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে প্রতি এক বা দুই ঘণ্টা অন্তর বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছিল। জেনারেটরের ডিজেলও ফুরিয়ে গিয়েছিল। নার্সদের রোগীদের সেবার সময় মোবাইল ফোনের টর্চ ব্যবহার করতে হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে গত কয়েকদিনে বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করতে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে ভারত। দীর্ঘ বছর ধরে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে বাংলাদেশ। বর্তমানে ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ মোট ২ হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ আমদানি করে। এহেন বিপদের পরিস্থিতিতে ফের একবার বাংলাদেশের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত। বিদ্যুতের পাশাপাশি পাঠানো হয় ডিজেল। এর ফলে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.