Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬

রোহিঙ্গাদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র তৈরি করছে বাংলাদেশ

জালিয়াতি রুখতে বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:৪৮

options
link
রোহিঙ্গাদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র তৈরি করছে বাংলাদেশ zoom
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: সেনা অভিযানে বিধ্বস্ত মায়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পরিচয়পত্র যাচাইয়ের কাজে নামছে রাষ্ট্রসংঘ ও বাংলাদেশ সরকার৷ অনুমান, শরণার্থীদের পরিচয়পত্র যাচাই করতে কমপক্ষে পাঁচ থেকে ছয় মাস লাগবে৷ জানা গিয়েছে, শরণার্থীদের পরিচয়পত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের জনসংখ্যা পরিসংখ্যান-সহ তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হবে৷

ইউএনএইচসিআরের তরফে জানানো হয়েছে,  চোখের স্ক্যান, আঙুলের ছাপ ও স্বতন্ত্র পরিচয় নিশ্চিত তৈরি জন্য ছবি-সহ বিভিন্ন বায়োমেট্রিক তথ্য ব্যবহার করে ১২ বছরের ঊর্ধ্বে সব শরণার্থীকে পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। বাংলাদেশ সরকার ও ইউএনএইচসিআর-এর পক্ষ থেকে যৌথভাবে অনেকটা ক্রেডিট কার্ডের মতো একটি পরিচয়পত্র তুলে দেওয়া হবে রোহিঙ্গাদের৷ পরিচয়পত্রে জালিয়াতি রুখতে বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে৷

Advertisement

[উবের-এর শেয়ার ক্যাবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, আতঙ্কে মহিলা সাংবাদিক]

ইউএনএইচসিআর-এর কক্সবাজার অপারেশনের প্রধান কেভিন জে. অ্যালেন জানান, মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বৈধ পরিচয় প্রতিষ্ঠার জন্য এটি একটি বড় পদক্ষেপ। তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের অধিকারগুলি অবশ্যই সম্মানিত হওয়া উচিত এবং সমাধানের ভিত্তিটা রচনা করতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এ কাজে ইউএনএইচসিআর এবং সহযোগী সংস্থার আনুমানিক ১৫০ জন কর্মীকে কাজে লাগানো হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে আগে নথিভুক্ত সব শরণার্থীদেরও এ ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি৷

[পাসপোর্ট করাতে অফিসে আর ম্যারেজ সার্টিফিকেট জরুরি নয়, ঘোষণা সুষমার]

বাংলাদেশের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, রোহিঙ্গাদের সহায়তা পরিকল্পনাগুলি আরও ভালভাবে গ্রহণ করতে, পরিচয়পত্র তৈরির কাজ করা হচ্ছে৷ মায়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ব্যক্তি যাঁদের বাংলাদেশে স্থান দেওয়া হচ্ছে, তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে দাঁড়াবে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷ এই প্রক্রিয়াটির উদ্দেশ্য শরণার্থীদের পরিচয় যাচাই ও তাঁরা যে মায়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন সেটা প্রতিষ্ঠা করা ও স্বেচ্ছায় নিরাপদের ফিরে যাওয়ার নিশ্চিত করা৷

[জরুরি অবস্থার ইতিবৃত্ত এবার সিলেবাসেও, ইঙ্গিত প্রকাশ জাভড়েকরের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.