১৬ অগ্রহায়ণ  ১৪২৮  শুক্রবার ৩ ডিসেম্বর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

‘থাকতে পারছি না কিছু করুন’, ট্রাম্পের কাছে কাতর আরজি বাংলাদেশি হিন্দু নেত্রীর  

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: July 20, 2019 9:22 am|    Updated: July 20, 2019 6:23 pm

Bangladeshi Hindu woman meets Trump, alleges persecution

সুকুমার সারকার, ঢাকা: বাংলাদেশে বাড়ছে সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা। নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন সংখ্যালঘুরা। এই অভিযোগ নিয়ে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করলেন প্রিয়া সাহা নামের বাংলাদেশের এক হিন্দু নারী।

[আরও পড়ুন: স্ত্রীর মদতে কিশোরী মেয়েকে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে]

গত বুধবার হোয়াইট হাউসে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ১৯টি দেশের ২৭ জন প্রতিনিধির সঙ্গে দেখা করেন ট্রাম্প। এই সাক্ষাৎকারে সব থেকে বেশি নজর কেড়েছেন বাংলাদেশের প্রিয়া সাহা। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বিশেষ করে হিন্দুদের উপর ‘অত্যাচারের’ কথা মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে তুলে ধরেন প্রিয়া। তিনি বলেন, “‘স্যর, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। সেখানে ৩.৭ কোটি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী মানুষ গুম হয়েছেন।। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। আমরা বাংলাদেশেই থাকতে চাই। সেখানে এখনো ১.৮ কোটি সংখ্যালঘু মানুষ রয়েছে। আমি আমার বাসস্থান হারিয়েছি। তারা আমার ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে। জমিজমা দখল করে নিয়েছে। কিন্তু প্রশাসন বা সরকার কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। আমার অনুরোধ, দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশ ছাড়তে চাই না। শুধু আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।”

প্রিয়ার অভিযোগ একটি ভিডিওর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে নেটদুনিয়ায়। তারপরই বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। নড়েচড়ে বসেছে বাংলাদেশের প্রশাসন। সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের দাবি, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের কোনও ঘটনা ঘটেনি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। জানা গিয়েছে, প্রিয়া সাহা বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক। তাঁর স্বামী দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। প্রিয়ার বাড়ি পিরোজপুরে। কয়েক বছর আগে তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়েছিল ‘মৌলবাদীরা’।

উল্লেখ্য, ট্রাম্পের সঙ্গে প্রিয়া ছাড়াও মায়ানমার, নিউজিল্যান্ড, ইয়েমেন, চিন, কিউবা, দক্ষিণ উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইরিট্রিয়া, নাইজেরিয়া, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, সুদান, ইরাক, আফগানিস্তান, উত্তর কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, ইরান, জার্মানি ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধিরাও দেখা করেন। মায়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের প্রতিনিদির সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প ফের বেফাঁস প্রশ্ন করে বসেন। ওই প্রতিনিধির কাছে ট্রাম্প জানতে চান, রোহিঙ্গা জায়গাটি কোথায়। সব মিলিয়ে ওই বৈঠক নিয়ে রীতিমতো উত্তেজনা ছড়িয়েছে একাধিক দেশে।          

                             [আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের]                                                                

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে