Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Bangladesh

পাকিস্তানের হয়ে অত্যাচার, বাংলাদেশে জারি প্রাক্তন মন্ত্রী সৈয়দ কায়সারের মৃত্যু পরোয়ানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর হয়ে নির্বিচারে হত্যা ও ধর্ষণ চালায় কায়সর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২০, ১৫:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২০, ১৫:৩২

options
link
পাকিস্তানের হয়ে অত্যাচার, বাংলাদেশে জারি প্রাক্তন মন্ত্রী সৈয়দ কায়সারের মৃত্যু পরোয়ানা zoom
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মহম্মদ কায়সারের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

[আরও পড়ুন: করোনার দাপট, পড়ুয়াদের সুরক্ষার স্বার্থে বাংলাদেশে বাতিল মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা]

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার সাইদ আহমেদ জানান, সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের মৃত্যু পরোয়ানা কারা কর্তৃপক্ষ, ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রকে বৃহস্পতিবার পাঠানো হয়েছে। এর আগে কায়সারের মামলায় আপিল বিভাগের রায়-সহ আনুষঙ্গিক নথিপত্র গতকাল বা বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

Advertisement

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বা বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইয়ে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর হয়ে নির্বিচারে হত্যা ও ধর্ষণের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ চালায় কায়সর। এই অপরাধে তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি এই রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে কায়সারের করা আপিল আংশিক মঞ্জুর করে এ রায় দেওয়া হয়।

এদিকে, ২০০৮ সালে মুজিবকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামি লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালে গঠন করা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ওই ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে নিষ্পত্তি হওয়া নবম মামলা এটি। ২০১৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল কায়সারকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা ১৬টি অভিযোগের মধ্যে ১৪টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। এর মধ্যে ধর্ষণের দুটিসহ সাতটি অভিযোগে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর সাতটি অভিযোগের মধ্যে চারটিতে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং পৃথক তিনটি অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

[আরও পড়ুন: করোনা কালেও অনলাইনে ভরতি নয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, হবে প্রবেশিকা পরীক্ষা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.