Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Eid-Ul-Fitre

একসঙ্গে ইদের নমাজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধের প্রার্থনা আমজনতার

ইতিমধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন হামলায় ৫ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। ঢাকার ইদগাহ ময়দানে এক ব্যক্তির হাতে দেখা গেল যুদ্ধবিরোধী প্ল্যাকার্ড।

Advertisement
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: মার্চ ২১, ২০২৬, ১৪:৩৭

link
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: মার্চ ২১, ২০২৬, ১৪:৩৭

options
link
একসঙ্গে ইদের নমাজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধের প্রার্থনা আমজনতার zoom
ইদের নমাজে একসঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি। নিজস্ব ছবি

ইদ-উল-ফিতরে নতুন ছবি বাংলাদেশে। রাজধানী ঢাকার হাই কোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ইদগাহে পাশাপাশি দাড়িয়ে ইদের নমাজ পড়লেন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ, শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ইদগাহ ময়দানে মূল প্রার্থনায় (জামাত) অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতকে কেন্দ্র করে ভোর থেকেই ইদগাহ ময়দান মুখর হয়ে ওঠে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজনের জমায়েতে। দেশের প্রধান এ জামাতে যুদ্ধময় বিশ্বে শান্তির আহ্বান জানানো হয়।

সাড়ে তিন দশকের বেশি সময় পর জাতীয় ইদগাহ ময়দানে একসঙ্গে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ইদের নমাজপাঠ করলেন। আগে এই দিনে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনাও একইভাবে এই দায়িত্ব পালন করেছিলেন। শনিবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে জাতীয় ইদগাহ ময়দানে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মিনিট পাঁচেক পর আসেন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন। এই ইদের নমাজে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্ট ও হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জমায়েত হয়ে প্রার্থনা সেরেছেন। নামাজ শেষে তাঁরা দুই হাত তুলে মোনাজাত করেন। মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি কামনার পাশাপাশি সারা বিশ্বে যুদ্ধ বন্ধের প্রার্থনা জানানো হয়।

Advertisement
ঢাকায় ইদের নমাজে যুদ্ধবিরোধী প্ল্যাকার্ড। নিজস্ব ছবি

এ সময় এই প্রার্থনায় অংশ নিতে আসা এক ব্যক্তি তুলে ধরেছিলেন মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান–সংবলিত একটি প্ল্যাকার্ড। যুদ্ধপীড়িত দেশগুলোতে এখন অর্ধকোটির বেশি বাংলাদেশি নানা কাজে রয়েছেন। যুদ্ধের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এরই মধ্যে অন্তত পাঁচজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এসব বন্ধ করার প্রার্থনা জানানো হয় ইদগাহর নমাজপাঠ অনুষ্ঠানে। এদিন নমাজের নির্দিষ্ট সময়ের আগেই জাতীয় ইদগাহ পরিপূর্ণ হয়ে যায়। জায়গা না পেয়ে রাস্তায় নমাজ পড়েন অনেকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.