Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
মার্কিন ম্যাগাজিন ফোর্বস

সমাজ বদলের ডাক দিয়ে জয়, ফোর্বস ম্যাগাজিনে এশিয়া সেরার তালিকায় ২ বাঙালি তনয়া

নতুন পথ উন্মোচনকারীদের তালিকা প্রকাশিত হয় বৃহস্পতিবার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০২০, ১৩:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০২০, ১৩:০৯

options
link
সমাজ বদলের ডাক দিয়ে জয়, ফোর্বস ম্যাগাজিনে এশিয়া সেরার তালিকায় ২ বাঙালি তনয়া zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সমাজের চেনা ছন্দে বদল আনতে চেয়েছিলেন। ভেবেছিলেন বদল আনবেন চেনা ভাবনায়। সেই উদ্যোগই যেন বাস্তবায়িত হল। সমাজ বদলের ডাক দিয়ে এবার বিখ্যাত মার্কিন ম্যাগাজিন ফোর্বসে (Forbes) নাম তুললেন দুই বাঙালি কন্যা। এশিয়ার মোট ৩০ জন সেরার মধ্যে নাম তুলেছেন রাবা খান এবং ইশরাত করিম নামে ওই দুই তরুণী।

ফোর্বস ম্যাগাজিনে মূলত বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ধনী, প্রভাবশালী, অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব এবং উদ্যোগীদের তালিকা মাঝেমধ্যেই প্রকাশিত হয়। সেরকমই তরুণ উদ্যোগী, নেতা এবং নতুন পথ উন্মোচনকারীদের তালিকা প্রকাশিত হয় বৃহস্পতিবার। সেই তালিকাতেই উঠে এসেছে বাংলাদেশের দুই তরুণীর নাম। রাবা খান এবং ইশরাত করিম নামে ওই দুই তরুণীর সঙ্গে তালিকায় নাম রয়েছে বেশ কয়েকজন ভারতীয়র। 

Advertisement

কিন্তু কে এই রাবা খান? গণমাধ্যম, বিপণন এবং বিজ্ঞাপন শ্রেণি থেকে মনোনীত হন রাবা। প্রায় তিরিশ বছর বয়সি রাবা মূলত ইউটিউবার হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি একজন কৌতূকশিল্পীও বটে। তিনি মূলত ঝাকানাকা প্রজেক্টের জন্য ফোর্বসের এশিয়ার সেরা উদ্যোগপতিদের তালিকায় জায়গা দখল করেছেন রাবা। এই প্রজেক্টে তাঁকে এন্টারটেইনার হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। 

আরেক বাংলাদেশি তরুণী ইশরাত খানের নামও রয়েছে ফোর্বসের তালিকায়।  তিনি সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ বিভাগে মনোনীত হন। ইশরাত ছোট থেকে বিদেশে পড়াশোনা করেন। পড়া শেষের পরই নিজের দেশে ফিরে আসেন তিনি। ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতেন কিছু করার। সেই অনুযায়ী যৌথ উদ্যোগে আমাল ফাউন্ডেশন তৈরি করেন ইশরাত। তাঁর প্রতিষ্ঠান বর্তমানে বাল্যবিবাহ এবং নারী নির্যাতন রোধ নিয়ে কাজ করে। এবং তাঁর সংগঠনের মাধ্যমে বিধবা মহিলাদের জন্য নানা সুযোগ সুবিধার বন্দোবস্ত করা হয়।

ফোর্বসের এই তালিকায় কোকাকো প্রজেক্টের জন্য একেবারে শীর্ষে রয়েছেন ফিলিপিন্সের লুইস মাবুলো। এছাড়াও ক্যাটারিং ব্যবসার জন্য ইন্দোনেশিয়ার মারিয়াস সান্টানু রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। তাঁর ক্যাটারিং সংস্থা প্রতিদিন অন্তত ১৪ হাজার মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেয়। এই দুজনের ঠিক পরেই ছিল বাংলাদেশি তনয়া রাবা খানের নাম।

[আরও পড়ুন: চিনের মতো ইঞ্জেকশন দিয়ে মেরে ফেলা হবে! গুজবে বাংলাদেশে রোগীশূন্য দুই হাসপাতাল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.