৭ ভাদ্র  ১৪২৬  রবিবার ২৫ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার, ঢাকা:  রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গিয়েছিল। ফুসফুস ও কিডনির সমস্যাও ছিল। রবিবার সকালে প্রয়াত হলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

[আরও পড়ুন: অনৈতিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্তের অভিযোগ, নোবেলজয়ী ইউনুসকে তলব আদালতের]

বয়স নব্বই পেরিয়ে গিয়েছিল। বার্ধক্যজনিত সমস্যায় গত কয়েক মাস ধরেই কার্যত শয্যাশায়ী ছিলেন এরশাদ। গত মাসের শেষের দিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদকে ভরতি করা হয় ঢাকার সামরিক হাসপাতালে। রাতে কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পরের দিন সকালে এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়েন, যে ফের এরশাদকে ভরতি করতে হয় হাসপাতালে। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার থেকে লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে ছিলেন এরশাদ। চিকিৎসকের আশঙ্কা ছিল, তিনি নিউমোনিয়াতেও আক্রান্ত হয়েছেন। শেষপর্যন্ত রবিবার সকাল পৌনে আটটা নাগাদ ঢাকার সামরিক হাসপাতালে প্রয়াত হলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ। তাঁর মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি বা জাপ-র সদস্য খালেদ আখতার। তিনি এরশাদের আত্মীয়ও বটে।

এরশাদের জন্ম কিন্তু ভারতে। ১৯৩০ সালে অবিভক্ত ভারতের কোচবিহার জেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পরে পরিবারের সঙ্গে চলে আসেন তখনকার পূর্ব পাকিস্তানের রংপুরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হওয়ার পর ১৯৫২ সালে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এরশাদ। একাত্তরে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে পাক সেনার ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের দায়িত্বে ছিলেন এরশাদ। মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশে চলে আসেন। সেনাবাহিনীতেও ধাপে ধাপে পদোন্নতি হয়। শেষপর্যন্ত ১৯৮২ সালের মার্চে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন এইচ এম এরশাদ। প্রায় সাত বছর ক্ষমতায় ছিলেন তিনি। প্রবল গণ বিক্ষোভের মুখে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে এরশাদ পদত্যাগ করেন ১৯৯০ সালে।

[আরও পড়ুন: নোয়াখালির গান্ধী আশ্রম বিশ্বমানের করতে সাহায্য করবে ঢাকা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং