সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজনীতিতে অভিষেক হয়েছে গত ডিসেম্বরেই। এবার বাংলাদেশের জাতীয় পার্টিতে বড় পদ পেলেন আশরাফুল আলম সইদ ওরফে হিরো আলম। জাতীয় পার্টির সাংস্কৃতিক শাখার কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদকের (সাংগঠনিক) পদ পেলেন তিনি। বৃহস্পতিবারই এই পদে বসানো হয়েছে তাঁকে।
[আরও পড়ুন: মুমতাজের মৃত্যুর গুজব, ইতি টানতে পালটা ভিডিও পোস্ট মেয়ের]
সূত্রের খবর, ১ মে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যক্তি হিরো আলম জাতীয় পার্টিতে যোগদান করে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ পেয়েছিলেন। আর এবার তাঁর কাঁধে চাপল দলের গুরুদায়িত্ব। এপ্রসঙ্গে অভিনেতা জানান, অভিনয় জগতে থাকার দরুন মাসুদ পারভেজ ওরফে সোহেল রানার সঙ্গে তাঁর ভাল সম্পর্ক রয়েছে। প্রসঙ্গত, সোহেল রানা জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির সভাপতি। তাঁর অনুপ্রেরণাতেই আলম জাতীয় সাংস্কৃতিক দলে যোগ দেন। পার্টির যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক এম.এ রজ্জাক খানের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায় আলমের সহ-সম্পাদক পদে যোগ দেওয়ার খবর।
গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) নম্বর কেন্দ্র থেকে লড়াইয়ে নেমেছিলেন হিরো আলম ওরফে আশরাফুল আলম। রাজনীতিতে যোগ দিয়ে বেশ আশাবাদী ছিলেন এই অভিনেতা। তবে, ফলপ্রকাশের পর তাঁর রাজনীতির ময়দানে নামার সেই আবেগ ধূলিসাৎ হয়ে যায়। মাত্র ৬৩৮টি ভোট পেয়ে জমানত জব্দ হয় হিরো আলমের। প্রথমটায় নির্বাচন লড়ার জন্য জাতীয় পার্টিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন অভিনেতা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দল থেকে টিকিট না পেয়ে পরে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়েন।
[আরও পড়ুন: জানেন, কেন কানাডার নাগরিকত্ব ছাড়তে চান না অক্ষয়?]
মার্চ মাসেই স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে শ্রীঘরে ঠাঁই হয়েছিল হিরো আলমের। জেল থেকে বেরিয়েই জাতীয় পার্টির সদস্য হলেন তিনি। শুধু তাই নয়, একধাপ এগিয়ে জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির বড় পদে বসলেন তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
বেসরকারি স্কুলের সিকরুমে কন্ডোম! উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা, কাঁচরাপাড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য
-
আইএসএল জয় উদযাপন, শহরে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘ইস্টবেঙ্গল উত্তরাধিকার’ সমষ্টির
-
বাড়ির আইনি দখল নিতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ, হাসপাতালে তালতলার এস আই
-
‘মহান প্রধানমন্ত্রী, জ্ঞানী ব্যক্তি’, ‘দীর্ঘতম’ সময়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ‘বন্ধু’ মোদিকে শুভেচ্ছা ট্রাম্পের
-
বন্ধ ‘থ্রেট কালচার’, অভয়া কাণ্ডে যুক্তদের সাজা, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসে আর কী অঙ্গীকার শারদ্বতের?