২৮ আশ্বিন  ১৪২৬  বুধবার ১৬ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার, ঢাকা: মানবিকতার খাতিরে তাদের আশ্রয় দিয়েছিলেন তিনি। গোটা বিশ্ব মুখ ফিরিয়ে নিলেও, রোহিঙ্গাদের জন্য দুয়ার খুলে দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। তবে ‘কাঙালি ভোজনে’ যে তহবিল ফাঁকা হয়ে যাবে , সঙ্গে আশ্রয়হীনরাই যে আশ্রয়দাতাদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াবে তা হয়ত বুঝতে পারেননি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তাই এবার শরণার্থীদের হাত থেকে নিষ্কৃতি চাইছেন তিনি।    

[আরও পড়ুন: একাধিক পুরুষের সঙ্গে সহবাসে চাপ, মা-সৎ বাবার বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ কিশোরী]

বৃহস্পতিবার, প্রধানমন্ত্রী হসিনার গলার সুরে যেন অসহায়তা ঝড়ে পড়ছিল।ব্রিটিশ অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের সদস্যদের তিনি সাফ বলেন, ‘রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবার তাদের ফেরত নিক মায়ানমার।’ উল্লেখ্য, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অবস্থা খতিয়ে দেখতে ব্রিটেন থেকে এসেছেন অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের সদস্যরা। তাঁদের কাছে অবস্থান স্পষ্ট করে হাসিনা বলেন, “আমরা মানবিকতার খাতিরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরাও একই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলাম। সে সময়ে এক কোটি বাংলাদেশি ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। এখন রোহিঙ্গারা আমাদের জন্য একটি বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং তাদের জন্য স্থানীয় মানুষের বিস্তর ভোগান্তি হচ্ছে।”

এই মুহূর্ত বাংলাদেশে রয়েছে প্রায় ১১ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী। রাখাইন প্রদেশে বার্মিজ সেনার হামলায় বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়ছে তারা। তবে আশ্রয়প্রার্থী হয়ে এতদিন বাংলাদেশে ছিল যে রোহিঙ্গারা, আজ তারাই হয়ে উঠেছে মাথাব্যথার কারণ৷ মাদক কারবার থেকে শুরু করে খুন-ডাকাতি, বিদেশী কিশোরী-যুবতী পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে এরা। যে কারণে আগেই রোহিঙ্গাদের মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে হাসিনা সরকার। পাশাপাশি বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গাদের নাম তোলা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে বাংলাদেশ পুলিশের দুর্নীতি দমন কমিশন৷

[আরও পড়ুন: নাতির বয়সি প্রেমিকের প্রতারণায় রেগে আগুন, যুবকের যৌনাঙ্গে কোপ বৃদ্ধার]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং