Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Nor 'wester

বাংলাদেশে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, মৃত অন্তত ৯

ঝড়ে বিধ্বস্ত এলাকাগুলিতে ত্রাণ পাঠানো হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২২, ১৬:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২২, ১৬:৩৪

options
link
বাংলাদেশে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, মৃত অন্তত ৯ zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশে (Bangladesh) কালবৈশাখীর তাণ্ডব। বুধবার দেশের বিভিন্ন জেলায় ঝড়ে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ন’ জন। তছনছ হয়ে গিয়েছে বহু বাড়িঘর। প্রশাসনের তরফে উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়েছে। ঝড়ে বিধ্বস্ত এলাকাগুলিতে ত্রাণ পাঠানো হয়েছে।

[আরও পড়ুন: তরুণীর ওড়না ধরে টান ২ কনস্টেবলের, টিপ কাণ্ডের পর বাংলাদেশে ফের বিতর্কে পুলিশ]

জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় হয়। শিলাবৃষ্টি ও ভারী বর্ষণ হয় রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর, নগাঁও, কুড়িগ্রাম, কিশোরগঞ্জ, দিনাজপুর, সন্দ্বীপ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, নোয়াখালি-সহ বেশ কয়েকটি জেলায়। বাংলাদেশের কোনও কোনও অঞ্চল দিয়ে বয়ে গিয়েছে ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়। ভেঙে পড়েছে পুরনো বাড়িঘর ও গাছগাছালি। এই ঝড় ভয়াবহ গরম এবং কোথাও কোথাও চলা তাপপ্রবাহ কমিয়ে দিয়েছে অনেকটাই। গরমের কবল থেকে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে বিভিন্ন স্থানে। তবে কালবৈশাখী ঝড়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে। ভারী বৃষ্টিতে রাস্তায় জমেছে জল। কোথাও কোথাও এক হাঁটু জল। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় এই ঝড়ে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। 

Advertisement

প্রশাসন সূত্রে খবর, কালবৈশাখী ঝড়ে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে গিয়েছে, মানুষের চলাচলে তৈরি হয় প্রতিবন্ধকতা। চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের রাঙ্গুনিয়ার চন্দ্রঘোনা সেগুন বাগান এলাকায় গাছ পড়ে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। অনেক জায়গায় বৃষ্টিতে মাঠের বোরো ধান নুয়ে পড়েছে। এতে ধানের ফলন কম হওয়ার শঙ্কায় ভুগছেন কৃষকরা। বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আশেকপুর গ্রাম, শাজাহানপুর, বগুড়া।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ আবহাওয়া দপ্তর অথবা বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর রাডারে যে ছবি আসে তা থেকে ঝড়ের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন অনেক আবহাওয়াবিদ। শুধু উদ্যোগ নিলেই অনেক ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। যেমন কালবৈশাখী হবে এটা নদী বন্দরগুলোতে আগেভাগে জানিয়ে দেওয়া হলে নদীতে নৌকা, ট্রলার অথবা লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা যায়। তাহলে প্রাণহানির সাথে সম্পদের ক্ষতিও এড়ানো যায়। নদী বন্দরের জন্য বিশেষ আবহাওয়া বুলেটিন রেডিওয় প্রচার করা অথবা নদী বন্দরের মাইকেও ফলাও করে প্রচার করলে মানুষ উপকৃত হতে পারে।

[আরও পড়ুন: শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ী সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ঢাকার নিউমার্কেট, ব্যস্ত সময়ে বন্ধ যান চলাচল, বিপাকে যাত্রীরা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.