সুকুমার সরকার, ঢাকা: বিশ্বে মহামারীর রূপ ধারণ করেছে করোনা ভাইরাস।এই মারণ রোগের কবলে পড়ে এপর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৮ হাজার মানুষ। প্রবল আতঙ্কের সঙ্গে বাজারে ছড়াচ্ছে নানা গুজব। থানকুনি পাতা খেলে করোনার হাত থেকে মুক্তি মিলবে বলে এবার ভুয়ো বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে দেশে।
[আরও পড়ুন: সচেতনতা ছাপিয়ে আতঙ্ক, কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে উধাও লুধিয়ানার ১৬৭ জন]
জানা গিয়েছে, বরিশালের গৌরনদী, আগৈলঝাড়া ও উজিরপুর উপজেলায় থানকুনি পাতা সংক্রান্ত গুজব ছড়িয়ে পড়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ওই ভুয়ো বার্তায় বলা হচ্ছে, তিনটি থানকুনি পাতা খেলেই করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। তবে ফজরের নামাজের আগেই এ পাতা খেতে হবে। এই গুজব ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে মঙ্গলবার রাত থেকে ফজরের নামাজের আগপর্যন্ত পাতা খাওয়ার হিড়িক চলে। কোথাও কোথাও থানকুনি পাতা খেতে মাইকযোগে আহ্বান জানানো হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, থানকুনি পাতা খেয়েছেন এমন কয়েকজন জানান, তাঁদের স্বজনেরা রাতে ফোন করে জানান যে থানকুনি পাতা খেলে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) থেকে মুক্তি মিলবে। এ খবর পাওয়ার পর রাতেই তাঁরা পাতার সন্ধানে নামেন এবং বাড়ির আঙিনা ও আশপাশের জঙ্গল থেকে পাতা তুলে খেয়ে নেন।
এই গুজবের ব্যাপারে জানতে চাইলে উজিরপুর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা আধিকারিক মহম্মদ শওকত আলি জানান, বিজ্ঞানে থানকুনি পাতার অনেক গুনাগুণ আছে। কিন্তু তিনটি পাতা খেলে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে, এর কোনও সত্যতা নেই। গুজবে কান দিয়ে অনেকে পাতা খেয়েছেন। গৌরনদী উপজেলা ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা আবদুল বাতেন বলেন, থানকুনি পাতা খেতে কোন আলেম বা পীর আদেশ দিয়েছেন বলে কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। এ পাতা খেলে রোগমুক্তি হবে, ইসলামেও এমন তথ্যেরও কোনও ভিত্তি নেই।
[আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্কের মাঝেই স্বস্তির বাণী, ইতিমধ্যেই সুস্থ ভারতের ১০ শতাংশ আক্রান্ত]
সর্বশেষ খবর
-
প্রোপাগান্ডা রাজনীতি গণতন্ত্রের অংশ নয়, পথ দেখাচ্ছে হাঙ্গেরি
-
রাজ্যে এবার বুলেট ট্রেন, দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি পৌঁছবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়, বড় আশ্বাস রেলমন্ত্রীর
-
জল্পনার অবসান! বিশ্বকাপ শুরুর পাঁচ দিন আগে ইরানকে ভিসা মঞ্জুর আমেরিকার
-
ইবোলা পরিসংখ্যানে আশার আলো কঙ্গোতে! বিপদ কাটেনি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা
-
‘রেলে ১ লক্ষ কোটির কাজ, মানচিত্রে জুড়বে গোটা বাংলা’, নবান্নে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর বড় ঘোষণা শুভেন্দুর